March 11, 2026, 12:49 pm
শিরোনাম :
মাদারীপুরে হত্যাকাণ্ডের জেরে ৩০ বসতঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে ডিআইজি মাদারীপুর প্রতিনিধি, শেখ জায়েদ: মাদারীপুরে ওয়াইফাই ব্যবসায়ী আলমগীর হাওলাদার হত্যাকাণ্ডের জেরে প্রতিপক্ষের অন্তত ৩০টি বসতঘরে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে সংঘটিত দুটি ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং অনেক বাড়ি পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি জানান, এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে এবং প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যাতে সাধারণ মানুষ আর কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মাদারীপুর সদর উপজেলার নতুন মাদারীপুর গ্রামের মনিরুজ্জামান আক্তার হাওলাদারের সঙ্গে একই এলাকার হাসান মুন্সির বিরোধ চলছিল। এরই জেরে মঙ্গলবার সকালে মনিরুজ্জামানের চাচাতো ভাই আলমগীর হাওলাদারকে কুপিয়ে হাত বিচ্ছিন্ন করে হত্যা করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর সন্ধ্যায় প্রতিপক্ষের লোকজন হাসান মুন্সির পক্ষের অন্তত ৩০টি বসতঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর থেকে পুরো এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। কেন্দ্রীয় মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরি, স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ১৮ লাখ টাকার সম্পদ লুট রৌমারীতে সরকারি ওষুধ চুরি: স্টোরকিপার আটকের ঘটনায় স্বাস্থ্যখাতে প্রশ্ন চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা ঘাতক স্বামী আটক  আজ মোল্লাহাট সফরে আসছেন আল্লামা মামুনুল হক নলডাঙ্গায় ইয়াবাসহ যুবলীগ নেতা আটক লঞ্চে কলেজছাত্রী ধর্ষণ র‍্যাবের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে প্রধান সহকারীর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ, তদন্ত শুরু ভাঙ্গুড়ায় জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন

নির্বাচনে কোন অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না কালিগঞ্জে  ডিসি- আফরোজা 

অভয়নগর প্রতিবেদক

হাফিজুর রহমান কালিগঞ্জ( সাতক্ষীরা) প্রতিনিধিঃ
আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে প্রার্থী, সুশীল সমাজ, সাংবাদিক ,রাজনৈতিক ব্যক্তি বর্গের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বেলা ১২ টার দিকে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা তানিয়া আক্তারের সভাপতিত্বে উপজেলা নির্বাচন অফিসার সোহাল হোসেন জুয়েলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক আফরোজা আক্তার বলেন একটি সুষ্ঠু অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে যা যা প্রয়োজন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তার সবকিছুই করবে। এজন্য কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এজন্য পুলিশ, বিজিবি, আর্মি সম্মিলিত ভাবে কাজ করবে। বিশেষ করে সীমান্ত এলাকা কঠোর নজরদারির মধ্যে রাখা হবে। অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ধরতে জনগণের সহায়তা চান এবং এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের ধরিয়ে দিতে সহযোগিতা চান। তিনি বলেন ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের মধ্যে দিয়ে যে নূতন আকাঙ্ক্ষার সৃষ্টি হয়েছে তা যেন কোনভাবেই বিনষ্ট না হয় এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। জেলা প্রশাসক আফরোজা আক্তার আরো বলেন গণভোট ও নির্বাচনী প্রচারণা নির্বিঘ্নে করতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেলা নির্বাচন অফিসার নাসির উদ্দিন ,আর্মি ক্যাম্পের অধিনায়ক ক্যাপ্টেন নাহিদুল ইসলাম ,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজিব, সহকারী কমিশনার (ভূমি )ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাঈমুল ইসলাম খান, থানার অফিসার্স ইনচার্জ জুয়েল হোসেন তাদের বক্তব্যে বলেন আমরা কারো তদবিরে কাজ করি না ,ভবিষ্যতেও করবো না। ভোটাররা যাতে নিরাপদ পরিবেশে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন সেজন্য কঠোর নিরাপত্তা বলায় গড়ে তোলা হবে। রাজনৈতিক দলগুলো যদি সুষ্ঠু  ও  দায়িত্বশীলতার সঙ্গে নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবে তবে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুন্দর হতে বাধ্য।  মানুষ আর পুরনো ধারায় ফিরতে চায় না। নির্বাচনী আচরণবিধি ও আইনের বাইরে কোন কাজ হবে না। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব কাজী আলাউদ্দিন, জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মুহাদ্দিস হাফেজ রবিউল বাশার এবং বাম গণতান্ত্রিক দলের রুবেল হোসেন, জামায়াতের আমির প্রফেসর আব্দুল  ওহাব সিদ্দিকী, সহকারী সেক্রেটারি প্রফেসর আব্দুর রউফ, জেলা বিএনপি সদস্য শেখ এবাদুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব ডাঃ শফিকুল ইসলাম বাবু, সাংবাদিক নেতা সাইফুল বারী সফু, সুকুমার দাস বাচ্চু, হাফিজুর রহমান শিমুল, রেজওয়ান ফেরদৌস রনি, আরাফাত হোসেন, ইমাম সমিতির সভাপতি হাফেজ আব্দুল গফুর, প্রমূখ। এর আগে বেলা ১১ টায় নির্বাচনে দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রিসাইডিং এবং পোলিং অফিসারদের সঙ্গে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলাদাভাবে ঘন্টা ব্যাপী জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সঙ্গে আইন শৃঙ্খলা ও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।



মাদারীপুরে হত্যাকাণ্ডের জেরে ৩০ বসতঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে ডিআইজি মাদারীপুর প্রতিনিধি, শেখ জায়েদ: মাদারীপুরে ওয়াইফাই ব্যবসায়ী আলমগীর হাওলাদার হত্যাকাণ্ডের জেরে প্রতিপক্ষের অন্তত ৩০টি বসতঘরে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে সংঘটিত দুটি ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং অনেক বাড়ি পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি জানান, এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে এবং প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যাতে সাধারণ মানুষ আর কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মাদারীপুর সদর উপজেলার নতুন মাদারীপুর গ্রামের মনিরুজ্জামান আক্তার হাওলাদারের সঙ্গে একই এলাকার হাসান মুন্সির বিরোধ চলছিল। এরই জেরে মঙ্গলবার সকালে মনিরুজ্জামানের চাচাতো ভাই আলমগীর হাওলাদারকে কুপিয়ে হাত বিচ্ছিন্ন করে হত্যা করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর সন্ধ্যায় প্রতিপক্ষের লোকজন হাসান মুন্সির পক্ষের অন্তত ৩০টি বসতঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর থেকে পুরো এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

ফেসবুক কর্নার

মাদারীপুরে হত্যাকাণ্ডের জেরে ৩০ বসতঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে ডিআইজি মাদারীপুর প্রতিনিধি, শেখ জায়েদ: মাদারীপুরে ওয়াইফাই ব্যবসায়ী আলমগীর হাওলাদার হত্যাকাণ্ডের জেরে প্রতিপক্ষের অন্তত ৩০টি বসতঘরে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে সংঘটিত দুটি ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং অনেক বাড়ি পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি জানান, এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে এবং প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যাতে সাধারণ মানুষ আর কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মাদারীপুর সদর উপজেলার নতুন মাদারীপুর গ্রামের মনিরুজ্জামান আক্তার হাওলাদারের সঙ্গে একই এলাকার হাসান মুন্সির বিরোধ চলছিল। এরই জেরে মঙ্গলবার সকালে মনিরুজ্জামানের চাচাতো ভাই আলমগীর হাওলাদারকে কুপিয়ে হাত বিচ্ছিন্ন করে হত্যা করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর সন্ধ্যায় প্রতিপক্ষের লোকজন হাসান মুন্সির পক্ষের অন্তত ৩০টি বসতঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর থেকে পুরো এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।