ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
আল্লাহ তাআলা তাঁর সকল খেদমত কবুল করে তাঁকে জান্নাতুল ফিরদাউসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন—আমিন। আমি তার শোক সন্তত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।
২০২৬ সালের ৯ই জানুয়ারি, শুক্রবার—এই তারিখটি আমার জীবনে এক অবিস্মরণীয় স্মৃতি হয়ে থাকবে। কসবা উপজেলার বিনাওটি ইউনিয়নের রাউতহাট বাজার জামে মসজিদের শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পীর সাহেবের পাশে দাঁড়িয়ে মসজিদটি উদ্বোধনের সৌভাগ্য আমার হয়েছিল। উদ্বোধনের পর দুই রাকাত নামাজ আদায় করি এবং শেষে তাঁর প্রাণভরা দোয়ায় শামিল হওয়ার মর্যাদা পাই।
অল্প সময়ের সেই সাক্ষাৎ, কিন্তু হুজুরের চোখের মমতা, কণ্ঠের মাধুর্য, এবং আমার প্রতি তাঁর অগাধ স্নেহময় দোয়া আজও হৃদয়ে অমলিন। আরেকটি জুম্মা পৌঁছানোর আগেই তিনি দুনিয়া থেকে বিদায় নিলেন—এ যেন আল্লাহর এক অদ্ভুত ফয়সালা। তবুও সেই ক্ষণিক সাক্ষাতে তিনি যে মহব্বত ঢেলে দিয়েছিলেন, কসবা-আখাউড়ার মানুষের জন্য যে আন্তরিক দোয়া করেছিলেন—তা আমাকে আজও গভীরভাবে অভিভূত করে।
মানুষ চলে যায়, কিন্তু রেখে যায় স্মৃতি, রেখে যায় দোয়া, রেখে যায় আমল। পীর সাহেব আজ আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তাঁর নসিহত, তাঁর দোয়া, তাঁর ইলমি ও আধ্যাত্মিক আলো আমাদের হৃদয়ে চিরভাস্বর হয়ে থাকবে।
মহান আল্লাহ পাকের দরবারে প্রার্থনা—
আল্লাহ তাআলা যেন হুজুরের রুহের মাগফিরাত দান করেন, তাঁর নেক আমলসমূহ কবুল করেন এবং তাঁকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকামে সমাসীন করেন।
আমিন।