March 12, 2026, 1:23 am
শিরোনাম :
পাবনায় টিআর প্রকল্পে ৩ লাখ টাকার রাস্তাই নেই, অনিয়মের অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ইরানে হামলা করার মতো ‘আর কিছুই নেই’, যুদ্ধ শেষ শিগগিরই পুরো অঞ্চল পোড়ার আগেই ইরান যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে: এরদোয়ান দোয়ারাবাজারে নিখোঁজ রাজিবের ১৮ মাস পর পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলন ভারত থেকে পাইপলাইনে ৫ হাজার টন ডিজেল পৌঁছালো পার্বতীপুরে বাংলাদেশ চায় ভোট, সমরাস্ত্র বিক্রিতে জোর দিতে পারে তুরস্ক খাগড়াছড়িতে ঋণের হতাশায় ব্যবসায়ী যুবকের আত্মহত্যা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কৃষি জমি ও ডোবা ভরাটে ৪ ড্রেজার ও ২ হাজার ফুট পাইপ বিনষ্ট, জরিমানা ৪০ হাজার নন্দীগ্রামে ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করা সুলতানের পাশে ইউএনও শারমিন আরা চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে হেরোইনসহ মাদক কারবারি আটক

এওয়াজ বদলে প্রতারণায় অবরুদ্ধ বিল্লাল পরিবার

অভয়নগর প্রতিবেদক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার বেড়তলা গ্রামে জমি বিনিময়ের নামে প্রতারণা ও অবিচারের শিকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বিল্লাল মিয়া ও তাঁর পরিবার। স্থানীয় সাহেব-সরদারদের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত আপসনামার শর্ত ভঙ্গ করে প্রতিপক্ষ তাদের চলাচলের একমাত্র রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে পরিবারটি কার্যত অবরুদ্ধ অবস্থায় পড়েছে এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিল্লাল মিয়ার সঙ্গে তাঁর আত্মীয় আক্কাস মুন্সী, আলী মিয়া ও কালন মিয়া গং-এর মধ্যে জমি বিনিময় নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ চলছিল। বিরোধ নিষ্পত্তিতে স্থানীয় সরদারদের উপস্থিতিতে একটি লিখিত আপসনামা হয়। চুক্তি অনুযায়ী বিল্লাল মিয়া আনুমানিক ৫৫ পয়েন্ট জমি ছেড়ে দেন এবং বিনিময়ে তাঁর বাড়িতে যাতায়াতের জন্য অন্তত ছয় ফুট প্রশস্ত স্থায়ী রাস্তা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রতিপক্ষ দ্রুত পাকা ঘর নির্মাণ করে দখল নিলেও প্রতিশ্রুত রাস্তা আজও বুঝিয়ে দেয়নি। বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই পথ আরও সংকুচিত করা হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বর্তমানে ওই পথে মানুষের হাঁটাও কষ্টসাধ্য। পরিবারের অটোচালক সদস্য গাড়ি বাড়িতে ঢোকাতে পারছেন না, এতে রোজগার বন্ধের উপক্রম হয়েছে। এলাকাবাসীর আশঙ্কা, জরুরি পরিস্থিতিতে অ্যাম্বুলেন্স বা খাটিয়া নেওয়ারও জায়গা থাকবে না। ন্যায়বিচারের আশায় সরদারদের দ্বারস্থ হলেও বিল্লাল মিয়া শুধু সময়ক্ষেপণ ও আশ্বাস পাচ্ছেন। তিনি জানান, দ্রুত রাস্তা দখলমুক্ত না হলে তিনি থানা, উপজেলা প্রশাসন ও আদালতের আশ্রয় নেবেন। স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।



ফেসবুক কর্নার