August 18, 2026, 4:32 pm
শিরোনাম :
পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার নয় গ্যাসসংকটে ২৬ দিন বন্ধ ময়মনসিংহের ২১০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র, যুবদল নেতা হত্যা: স্ত্রীসহ দুজনের যাবজ্জীবন বন্দরে ন্যূনতম যাত্রীসেবাও নেই, ২ কোটি টাকার ঘাট ইজারায়ও কমেনি ভোগান্তি বিদ্যুৎহীন মোবাইলের আলোয় ৩৭ জনের ইমপ্লান্ট অপসারণ দৌলতপুরে খ্রিষ্টিয়ান নেতার জমি দখলের অভিযোগ, নেপথ্যে প্রভাবশালীদের ছায়া? ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ চারজন গ্রেপ্তার বিআরটিএ কার্যালয়ে পার্কিং সংকটে গ্রাহক-এলাকাবাসীর ভোগান্তি থানার হাজত থেকে আ.লীগ নেতার ভিডিও, ওসিসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার চালু হওয়ার প্রথম দিনেই পিংক বাসে ধাক্কা

যুবদল নেতা হত্যা: স্ত্রীসহ দুজনের যাবজ্জীবন

রাকিবুল ইসলাম রাকিব সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জ শহর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম রেজা সুজন হত্যা মামলায় তাঁর স্ত্রী উম্মে সালমা তিথি ও মনিরুল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে মামলায় অভিযুক্ত অপর দুই আসামি রাশেদুল ইসলাম ও পিয়াস হোসেনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুর সোয়া ১টার দিকে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক শায়লা শারমিন এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় মনিরুল আদালতে উপস্থিত থাকলেও তিথি পলাতক ছিলেন। আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট শামসুজ্জোহা শাহেনশাহ রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১ জুন সন্ধ্যায় যুবদল নেতা সেলিম রেজা সুজনকে তাঁর নিজ শয়নকক্ষে ঘুমন্ত অবস্থায় ধারালো চাপাতি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর নিহতের মা মাজেদা বেগম বাদী হয়ে তিথি ও তাঁর ভাই পিয়াস হোসেনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ তিথি, পিয়াস, মনিরুল ও রাশেদুলকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে তিথি ও মনিরুল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। মামলার নথি অনুযায়ী, পরকীয়া সম্পর্ককে কেন্দ্র করে তাঁরা দুজন মিলে ঘুমন্ত সুজনকে হত্যা করেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত মঙ্গলবার এ রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষণার পর অসন্তোষ প্রকাশ করেন নিহত সুজনের পরিবারের সদস্যরা। তাঁরা এজলাসের বাইরে ও আদালত প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ প্রদর্শন এবং বিভিন্ন স্লোগান দেন। নিহতের ছোট ভাই আরিফুর রহমান বলেন, তাঁর ভাইকে হত্যার ঘটনায় সর্বোচ্চ সাজা প্রত্যাশা করেছিলেন তাঁরা। পাশাপাশি মামলার অপর দুই আসামি খালাস পাওয়ায় তাঁরা রায়ে সন্তুষ্ট নন। তিনি জানান, রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার প্রস্তুতি নেবেন তাঁরা।



ফেসবুক কর্নার