
বাগেরহাট জেলার মোল্লাহাট উপজেলার গাড়ফা গ্রামের জননেতা চৌধুরী সেলিম আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে সততা, নীতি ও মানবিকতার প্রতীক হিসেবে পরিচিত। সাধারণ মানুষ তাকে ‘মেঝো মিয়া’ নামে সমাদৃত করে। ছোটবেলা থেকেই ভদ্র, নম্র ও সদালাপী হিসেবে পরিচিত চৌধুরী সেলিম আহমেদ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকেন এবং ব্যক্তিগত সৌজন্য ও মানবিক আচরণের মাধ্যমে এলাকায় আস্থার জায়গা করে নিয়েছেন।
রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর আদর্শে বিশ্বাসী। ১৯৯৬ সালে দল পরিবর্তনের প্রস্তাব আসলেও তিনি দৃঢ়ভাবে তা প্রত্যাখ্যান করেন। নীতির প্রতি আপসহীন অবস্থান তাকে স্থানীয় রাজনীতিতে আলাদা মর্যাদা দিয়েছে। মোল্লাহাট উপজেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি তিনি পরবর্তীতে বাগেরহাট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন। রাজনৈতিক প্রতিকূলতা ও অভ্যন্তরীণ বিরোধ সত্ত্বেও মাঠের রাজনীতিতে তিনি সক্রিয় রয়েছেন।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও প্রশাসনিক চাপে তার ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হলেও চৌধুরী সেলিম আহমেদ নীতিগত অবস্থান থেকে সরে আসেননি। তার সমর্থিত প্রার্থীরা মোল্লাহাট উপজেলা বিএনপির ওয়ার্ড কমিটি গঠন প্রক্রিয়ায় ৬৩টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৪৬টিতে জয়লাভ করেছেন, যা তার সাংগঠনিক দক্ষতার প্রমাণ। স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, মোল্লাহাটে বিএনপির রাজনীতি শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ এবং উন্নয়ন, সুশাসন ও জনকল্যাণমূলক রাজনীতিতে তার সক্রিয় উপস্থিতি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।