
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে রেলওয়ের কোটি টাকার জমি দখল করে প্লট আকারে বিক্রি ও মাটি খননের অভিযোগ উঠেছে কাশিয়ানী সদর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. জাকির হোসেন মোল্লার বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, গত এক সপ্তাহ ধরে প্রকাশ্যে রেলওয়ের জমি খনন করে মাটি বিক্রি করা হচ্ছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভাটিয়াপাড়া স্টেশনের আওতাধীন জেএল ৩৮ নং বরাশুর মৌজায় দুই রেলরুটসংলগ্ন এলাকায় প্লট আকারে জমি বিক্রির কার্যক্রম চলছে।
প্লট ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতি শতাংশ জমি ১৬ থেকে ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। নড়াইল জেলার বাসিন্দা আলামিন হোসেন জানান, তিনি তিন শতাংশ জমি ৪৮ হাজার টাকায় কিনেছেন, তবে কোনো দলিল বা বৈধ কাগজপত্র পাননি। জমি ভরাটের জন্য একই উৎস থেকে আলাদা খরচে মাটি কিনতে হচ্ছে বলেও জানান তিনি। অভিযুক্ত জাকির হোসেন মোল্লা বলেন, তিনি মৎস্য খামারের জন্য বন্দোবস্ত নিয়েছেন এবং ব্যক্তিগত প্রয়োজনে কিছু মাটি ব্যবহার করেছেন; প্লট বিক্রির বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে দাবি করেন।
এ বিষয়ে কাশিয়ানী রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার অনিক বিশ্বাস জানান, রেলওয়ের জমিতে মাটি খনন বা প্লট বিক্রির কোনো বৈধতা নেই এবং বিষয়টি সম্পূর্ণ বেআইনি। অভিযোগের পর রেলওয়ের প্রশাসনিক টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটি বহনকারী দুটি ট্রলি জব্দ করেছে এবং উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।