July 1, 2026, 9:51 am
শিরোনাম :
দুধে পোকা–কীড়ার অভিযোগে ক্ষোভ, তদন্তের দাবি, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পীর শামীম জাহাঙ্গীর হত্যা মামলায় জামায়াত নেতা খাজা আহমেদের জামিন নামঞ্জুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী ইকুয়েডরের সাথে ২-০ গোলে এগিয়ে মেক্সিকো অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধে বাউফলে পেশাদার সাংবাদিকদের ঐক্যের আহ্বান মসজিদের অর্থ বরাদ্দে হাসনাতের ই-টেন্ডার নৈরাজ্য দীর্ঘদিন পর একসঙ্গে ইমরান-ন্যান্সির নতুন চমক সত্যিই কি ধর্ম পরিবর্তন করেছেন? বিতর্কের ঝড়ে এবার নিজেই মুখ খুললেন উরফি জাভেদ কর্ণফুলীতে জাহাজের ধাক্কায় লাইটার জাহাজ আংশিক ডুবি, কোস্টগার্ডের অভিযানে উদ্ধার ১২ দিনাজপুরে ১০ বছরের  শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগ, আটক ১

ভাঙ্গুড়ার শরৎনগর পশুর হাটে অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ

অভয়নগর প্রতিবেদক

পশুর হাটে সরকার নির্ধারিত হারের বাইরে অতিরিক্ত খাজনা (হাসিল) আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন স্থানীয়রা।
জানা গেছে, প্রতি শনিবার উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শরৎনগর বাজারে পশুর হাট বসে। এ হাটে শত শত গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া কেনাবেচা হয়। আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা থেকেও ব্যাপারী ও কৃষকরা পশু কেনাবেচার জন্য এখানে আসেন।
সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বড় গরু বা মহিষ প্রতি ৬৫০ টাকা, ছোট গরু বা মহিষ ৪৪০ টাকা, বড় ছাগল ৩০০ টাকা, ছোট ছাগল ২০০ টাকা এবং ভেড়া ১৫০ টাকা খাজনা নেওয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু হাট ইজারাদার ও তার লোকজন নির্ধারিত হারের বাইরে অতিরিক্ত ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া ছোট ও বড় গরু উভয় ক্ষেত্রেই সমানভাবে ৬৫০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
খাজনা আদায়ের সময় অনেক ক্ষেত্রে রসিদে প্রকৃত টাকার পরিমাণ উল্লেখ করা হয় না বলেও অভিযোগ করেছেন হাটে আসা ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে অভিযোগকারী কয়েকজনের মধ্যে পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আবু নাইম নাসির ও ৮ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সম্রাট মামুন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শরৎনগর পশুর হাটে নিয়ম না মেনে অতিরিক্ত খাজনা আদায় করা হচ্ছে। তারা কয়েকটি হাটে উপস্থিত হয়ে এর প্রতিবাদ করেছেন এবং খাজনার নামে এই চাঁদাবাজি বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
অভিযোগের বিষয়ে হাট ইজারাদার ফজলে আযিম বলেন, অতিরিক্ত খাজনা আদায় এখানে নতুন কোনো বিষয় নয়; এটি হাটের শুরু থেকেই চলে আসছিল। তবে গত হাট থেকে এই অতিরিক্ত খাজনা আদায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
এদিকে স্থানীয় ইজারাদার শামসুল হক ও পৌর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম বলেন, এই অতিরিক্ত খাজনার টাকা বিভিন্ন জায়গায় দিতে হয় বলেই তা আদায় করা হয়। তাদের ভাষ্য, অন্য কোথাও টাকা দিতে না হলে এ ধরনের আদায়ের প্রয়োজন পড়ত না।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপস পাল জানান, তিনি একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পৌর প্রশাসক মিজানুর রহমান বলেন, ইজারাদারদের ডেকে অতিরিক্ত খাজনা আদায় বন্ধে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, হাটে নজরদারি চালানো হবে এবং অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



ফেসবুক কর্নার