
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় “ব্রাহ্মণবাড়িয়া হেল্পলাইন” নামের একটি সামাজিক সংগঠনের বিরুদ্ধে প্রতারণা, চাঁদাবাজি ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এক ব্যবসায়ী প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
লিখিত অভিযোগে মোবাইল সার্ভিসিং ব্যবসায়ী মো. জুনায়েদ মিয়া জানান, সম্প্রতি এক ব্যক্তি তার দোকানে একটি মোবাইল ফোন বন্ধক রেখে ৩ হাজার টাকা গ্রহণ করে। পরবর্তীতে ওই ব্যক্তি কয়েকজন সহযোগীসহ দোকানে এসে তাকে বিভিন্নভাবে চাপে ফেলার চেষ্টা করে।
অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্তরা তাকে ‘চোর’ আখ্যা দিয়ে ঘটনাটি ভিডিও ধারণ করে এবং তা ব্যবহার করে ব্ল্যাকমেইলের চেষ্টা চালায়। একপর্যায়ে তার কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। দাবিকৃত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী জুনায়েদ মিয়া বলেন, “আমি সরল বিশ্বাসে টাকা দিয়েছিলাম। পরে পরিকল্পিতভাবে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করে এবং মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়। এতে আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।”
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, কথিত “ব্রাহ্মণবাড়িয়া হেল্পলাইন” নামের একটি ফেসবুকভিত্তিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত কয়েকজন ব্যক্তি এ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত। এদের মধ্যে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা গোলাম কিবরিয়া ও রবিনসহ কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা গোলাম কিবরিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “একটি মহল প্রতিহিংসাবশত আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।”
এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, সামাজিক সংগঠনের নাম ব্যবহার করে কেউ যদি অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ায়, তা সমাজের জন্য উদ্বেগজনক। তারা ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।