June 27, 2026, 3:51 pm
শিরোনাম :
৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা: গণধোলাই দিয়ে ধর্ষক পুলিশে সোপর্দ,  বিশেষ অভিযানে রামপালে যুবলীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার শ্বামীর স্বীকৃতির দাবিতে শ্বশুরবাড়িতে অনশন, কেন্দুয়ায় আলোচনায় তরুণীর অবস্থান সীমান্তবর্তী দৌলতপুরে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক আটক, এলাকায় চাঞ্চল্য দেশে গাঁজা ব্যবহারে উদ্বেগ, তরুণদের মধ্যে আসক্তির ঝুঁকি বাড়ছে রাজধানীর শাহবাগে চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার জীবন কোনোদিনই সরল ছিলো না, হবেও না: জয়া আহসান ১১ বছর পর ফের গতি পেল নড়িয়ার গোলাম মাওলা সেতুর নির্মাণকাজ কিশোরগঞ্জে ১০ ক্রিকেটের পর্দা নামল, উৎসবমুখর ফাইনালে চ্যাম্পিয়নদের পুরস্কার চেকপোস্টে ডিবির জালে চালক, চোলাই মদ উদ্ধার

নাইক্ষ্যংছড়িতে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন এমপি সাচিংপ্রু জেরি

হামিদুল হক মার্সাল, রামু (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় নদী-নালা-খাল পুনঃখনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। এতে এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসন ও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির আশা করছেন স্থানীয়রা।
সোমবার (৪ মে) বেলা ১১টায় উপজেলার বড়ুয়াপাড়া এলাকা থেকে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বান্দরবান-৩০০ আসনের সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিংপ্রু জেরি।
উদ্বোধন শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশের টেকসই উন্নয়নে পানি ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খাল পুনঃখননের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা কমবে এবং কৃষি জমিতে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি পাবে, যা কৃষি উৎপাদন বাড়াতে সহায়ক হবে। তিনি আরও জানান, সরকারের এ উদ্যোগ গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রায় ২ দশমিক ৫০ কিলোমিটার খাল খননে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ১২ লাখ টাকা। এতে ২৬৯ জন শ্রমিক কাজ করছেন।
এ প্রকল্পের আওতায় নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের বড়ুয়াপাড়া, বিছামারা, বাগানঘোনা, মন্ডইল্লাঘোনা, চাক হেডম্যান পাড়া ও মধ্যম চাক পাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় খাল পুনঃখনন করা হবে।
এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী, থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাম্মেল হকসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, খাল পুনঃখননের ফলে বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশন সম্ভব হবে, জলাবদ্ধতা কমবে এবং শুষ্ক মৌসুমে পানি সংরক্ষণ হওয়ায় কৃষকরা সহজে সেচ সুবিধা পাবেন। এতে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
স্থানীয় বাসিন্দারাও এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর হয়ে এ প্রকল্প এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়ক হবে।



ফেসবুক কর্নার