
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপাডিকো)-এর বিরুদ্ধে সরেজমিনে না গিয়ে অফিসে বসে মনগড়া রিডিংয়ে বিল তৈরির অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, কালীগঞ্জ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের অধীন বিভিন্ন এলাকায় চলতি মাসে প্রকৃত ব্যবহারের চেয়ে অনেক কম ইউনিট দেখিয়ে বিল করা হয়েছে। এতে গ্রাহকরা সাময়িক স্বস্তি পেলেও সমস্যা দেখা দিতে পারে আগামী মাসে। বিদ্যুৎ বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, নির্দিষ্ট ইউনিট অতিক্রম করলে প্রতি ইউনিটের দাম বেড়ে যায়। অভিযোগ উঠেছে, চলতি মাসের বাদ পড়া ইউনিট আগামী মাসের ব্যবহারের সঙ্গে যোগ হলে স্ল্যাব বেড়ে গিয়ে গ্রাহকদের ওপর অস্বাভাবিক বিলের বোঝা চাপতে পারে।
বিষয়টি জানতে চাইলে অভিযুক্ত মিটার রিডার সাইফুল ইসলাম ভুলের কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, “প্রতিদিন আমাকে ১৫০ থেকে ২০০টি মিটার পরীক্ষা করতে হয়। কাজের চাপের কারণে অনেক সময় ভুল হয়ে যায়। অসাবধানতাবশত এমনটি হওয়ার জন্য আমি দুঃখপ্রকাশ করছি।”
এ বিষয়ে স্থায়ী সমাধানের পথ জানতে স্থানীয় সাংবাদিকরা ওজোপাডিকো কালীগঞ্জ কার্যালয়ের আবাসিক প্রকৌশলী জয়দ্বীপ সরকারের দপ্তরে যান। সাংবাদিকদের অভিযোগ, তিনি কোনো ব্যাখ্যা বা সমাধান না দিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, “আমি এর কোনো সমাধান করতে পারব না। আপনাদের যা ইচ্ছা করতে পারেন, যান!” এ আচরণে এলাকায় ক্ষোভ ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল ও ভুক্তভোগীরা ভুল বিল সংশোধনের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি গ্রাহক হয়রানি ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে ওজোপাডিকোর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তাঁরা।