March 9, 2026, 9:24 am
শিরোনাম :
রাঙ্গামাটিতে এনসিপিতে পদত্যাগের ঢল, ভাঙনের আভাস নলডাঙ্গায় মেয়র প্রার্থী হিসেবে দোয়া ও সমর্থন চাইলেন জাহিদুল ইসলাম লামায় প্রথম ধাপে ১,০৯৭ পরিবার পাচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড চিরিরবন্দরে গৃহবধুর আত্মহত্যা, ৩ জন আটক আশুগঞ্জে ৭০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার রৌমারীতে ছ্যাঁচড়া চোরের উপদ্রব, অতিষ্ঠ ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা বুধবার সরকারি দলের সংসদীয় সভা, এমপিদের উপস্থিত থাকতে হুইপের নির্দেশ ইরানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলেই ইরান যুদ্ধ শেষের সিদ্ধান্ত নেবেন ট্রাম্প বিশ্বকাপে অনন্য ‘পাঁচ’ রেকর্ড, যা শুধুই ভারতের

কালীগঞ্জে কোটি টাকার কার্পেটিং কাজে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ

অভয়নগর প্রতিবেদক

হাফিজুর রহমান কালিগঞ্জ সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ
সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার নলতা ইউনিয়নের ইছাপুর- রথখোলা সড়কে তৎকালীন এমপি কোটায় ২০২০- ২১ অর্থবছরে আই,আর,আই,ডিপি- প্রকল্পে রাস্তা নির্মাণে নজিরবিহীন অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছে এলাকাবাসী। ৮৮ লক্ষ ৫৮ হাজার ৯ শত টাকার এই প্রকল্পে ১১৪০ মিটার রাস্তায় নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার ও পরিমাপে কম দিয়ে দায়সারা ভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। সিডিউল অনুযায়ী কোন কাজ হয়নি বলে এলাকাবাসী অভিযোগ তুলেছেন। জানা গেছে মেসার্স মজমল বাহারাইন নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রোপাইটার ওয়াহিদুল ইসলামের নামে কাজ হলেও সালাম নামে এক ব্যক্তি কাজটি দেখ ভালো করেছেন। সরজমিনে গিয়ে কাজের সময় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কালিগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী অফিসের অর্কেস্টার রমেশ এবং সাতক্ষীরা স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অফিসের সহকারী প্রকৌশলী হাসাইন সেখানে উপস্থিত থাকলেও তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানান। তবে তারা দায়িত্বশীল হিসেবে কি কাজ দেখে এবং বুঝে নেবেন তার কোন সদুত্তর মেলেনি। বালু নিম্নমানের, খোয়া মিশ্রিত অপরিষ্কার রাস্তার উপরে পিচ দিয়ে কার্পেটিং করার সময় ঠিকাদার বা উপজেলা, জেলা প্রকৌশলী অফিসের দায়িত্বশীল কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে এ বিষয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী জাকির হোসেনের নিকট জানতে চাইলে তিনি লোক আছে বলে জানানোর পরেই নিজে ঘটনাস্থলে ছুটে এসে অনিয়মের বিষয়টি স্বীকার করেন। তারপরেও উনার উপস্থিতিতে তড়িঘড়ি করে রাস্তার কার্পেটিংয়ের  কাজ দ্রুত শেষ করে ফেলেন। তিনি সাংবাদিকদের জানান ২০২০- ২১ অর্থবছরে কোরনা কালীন সময়ে কম রেটের কাজ এখন বেশি রেটে করতে যেয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানগুলোর হিমশিম খেতে হচ্ছে। অনেকেই কাজ করবে না বলে ফেলে পালিয়ে চলে গেছে। আমরা তাদের অনেক রিকোয়েস্ট করে কাজগুলো করাচ্ছি বলে একটু সমস্যা হচ্ছে। এদিকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাউকে না পেয়ে টেন্ডারের চুক্তি অনুযায়ী কাজ করার কথা বললেও কোন তোয়াক্কা না করে অনুমোদনবিহীন নিম্নমানের বালি ,খোয়া ,পিচ দিয়ে মোটা অংকের পার্সেন্টেজে তড়িঘড়ি কাজ সম্পন্ন করে ফেলার অভিযোগ এলাকাবাসীর।  এ ব্যাপারে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মালিক অহিদুল ইসলামের নিকট জানতে চাইলে তিনি এ প্রতিনিধিকে জানান আমার লোক সেখানে আছে কাজে অনিয়ম দুর্নীতির বিষয়টি অস্বীকার করে ইঞ্জিনিয়ারের সঙ্গে কথা বলতে বলেন।



ফেসবুক কর্নার