April 23, 2026, 4:17 pm
শিরোনাম :
বাগমারায় ৭ মাসের শিশুকে নিয়ে নিখোঁজ গৃহবধূ, উৎকণ্ঠায় পরিবার শিবগঞ্জে টানা চুরির ঘটনায় আতঙ্ক, চার দিনে ১৩ বাড়িতে সিঁধ কাটা মান্দায় জমি বিরোধে সাত বিঘার বোরো ধান কেটে নেওয়ার অভিযোগ ব্যবসা নিয়ে সংঘর্ষ মামলায় এনায়েতনগর যুবদলের তিন নেতা জামিনে মুক্তির পথে সিংগাইরে নারীর মরদেহ উদ্ধার, রহস্য উদঘাটনে ময়নাতদন্তের অপেক্ষায় পুলিশ শেরপুরে জমি দখলের অভিযোগে উত্তেজনা, জোরপূর্বক ঘর নির্মাণের দাবি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে শিক্ষকম্পতিকে লাঞ্ছনার অভিযোগ কমলনগরে ‘খলিল বাহিনী’ আতঙ্ক: ধর্ষণচেষ্টা, চুরি-ডাকাতির অভিযোগে উত্তাল জনপদ দেড় মাস ধরে আদালত চত্বরে ময়লার স্তূপ, দুর্ভোগে বিচারপ্রার্থী ও ব্যবসায়ীরা নলডাঙ্গায় আগুনে কৃষকের ৮টি ছাগল পুড়ে ছাই, ক্ষতি প্রায় ২ লাখ টাকা

খেজুর রসের সংকট, চিনি-দুধে ভিজছে পিঠা

অভয়নগর প্রতিবেদক

শীত এলেই গ্রামবাংলায় ফিরে আসে পিঠার মৌসুম। ভোরের কুয়াশা, মাটির চুলায় জ্বলা আগুন আর খেজুর রসের মিষ্টি ঘ্রাণে মুখর হয়ে ওঠে জনপদ। তবে এ বছর শালিখা উপজেলায় সেই চেনা দৃশ্য অনেকটাই বদলে গেছে। খেজুর রসের তীব্র সংকটে ঐতিহ্যবাহী ভিজানো পিঠা তৈরি হচ্ছে চিনি ও দুধ দিয়ে। স্থানীয় সূত্র জানায়, খেজুর গাছ কমে যাওয়া, গাছি সংকট এবং আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাবে এ বছর রস সংগ্রহ আশানুরূপ হয়নি। ফলে বাজারে রসের দাম বেড়ে গেছে কয়েক গুণ, কোথাও কোথাও তো রস পাওয়াই যাচ্ছে না।
বাহিরমল্লিকা গ্রামের গৃহিণী সৃষ্টি বিশ্বাস বলেন, আগে ভোরে ভোরে খেজুর রস এনে পিঠা বানানো যেত, এখন রস না পেয়ে বাধ্য হয়ে চিনি আর দুধ ব্যবহার করতে হচ্ছে। শতখালী ইউনিয়নের গাছি আব্দুল কুদ্দুস জানান, আগে গ্রামে খেজুর গাছ ছিল বেশি, এখন ঘরবাড়ি, রাস্তা ও ইটভাটার কারণে গাছ কমে গেছে, ঠান্ডাও আগের মতো পড়ে না। বাজারে যেসব জায়গায় রস মিলছে, সেখানে লিটারপ্রতি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা দাম চাওয়া হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। ফলে বেশিরভাগ পরিবারই বিকল্প উপায়ে পিঠা বানাচ্ছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, শালিখা উপজেলায় বর্তমানে ২০ হাজারের কিছু বেশি খেজুর গাছ রয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আবুল হাসনাত বলেন, খেজুর গাছ নির্বিচারে কর্তন না করে পরিচর্যা বাড়ানো এবং নতুন করে রোপণ জরুরি। মাগুরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক কৃষিবিদ আলমগীর হোসেন জানান, পরিকল্পিতভাবে গাছ রোপণ ও গাছিদের উৎসাহিত করা গেলে ভবিষ্যতে আবার রস, গুড় ও পাটালির স্বর্ণালি দিন ফিরিয়ে আনা সম্ভব।



ফেসবুক কর্নার