May 14, 2026, 2:00 pm
শিরোনাম :
উপবন এক্সপ্রেসের টয়লেট থেকে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার শ্যামগঞ্জ বাজারে আমিনুল সরকারের বেকারিতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের ভয়াবহ চিত্র অতিরিক্ত সোডা ব্যবহার, নোংরা পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন—জনস্বাস্থ্যে মারাত্মক ঝুঁকির অভিযোগ ইপিজেডে রাস্তা দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে আতঙ্কে হকার-শ্রমিকরা গর্জনিয়ায় পুলিশের অভিযানে ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার ঝিকরগাছায় দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নৈশপ্রহরীর মৃত্যু যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যা: রাঙামাটিতে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কুড়িগ্রামে খাদে পড়ার উপক্রম স্কুলবাস, অল্পের জন্য রক্ষা পেল শিক্ষার্থীরা শিবচরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু অতিবর্ষণ ও জলাবদ্ধতায় স্থবির রৌমারী, ১৮৪ মিমি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন সরকারের উন্নয়ন বার্তা পৌঁছে দিতে গুইমারায় তথ্য অফিসের প্রেস ব্রিফিং

দস্যু আতঙ্কে সুন্দরবনের জেলেরা, যৌথ অভিযানের ঘোষণা

অভয়নগর প্রতিবেদক

বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী সুন্দরবন ২০১৮ সালের ১ নভেম্বর সরকারিভাবে দস্যুমুক্ত ঘোষণা করা হলেও সাম্প্রতিক সময়ে উপকূলীয় অঞ্চলের জেলেদের মধ্যে আবারও দস্যু আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, বনদস্যুরা জেলেদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করছে, ফলে অনেকেই জীবিকার তাগিদে বনে যেতে ভয় পাচ্ছেন।
বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬ হাজার ১৭ বর্গকিলোমিটার। উপকূলীয় এলাকার হাজারো মানুষ সরাসরি ও পরোক্ষভাবে এ বনের ওপর নির্ভরশীল। মাছ, কাঁকড়া ও মধু সংগ্রহই তাদের প্রধান জীবিকা। কিন্তু বনদস্যুদের তৎপরতার কারণে জেলেদের অনেককে ৫০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত মুক্তিপণ দিতে হচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। অধিকাংশ ক্ষেত্রে মহাজনের কাছ থেকে ধার নিয়ে বা ঋণ করে এই টাকা জোগাড় করতে হয়, যা তাদের আর্থিক দুরবস্থাকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
এ পরিস্থিতিতে বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম সম্প্রতি সাংবাদিকদের জানান, সুন্দরবনকে পুনরায় দস্যুমুক্ত করতে শিগগিরই সমন্বিত যৌথ অভিযান শুরু করা হবে। বর্তমানে সক্রিয় পাঁচটি বনদস্যু বাহিনীর সদস্যদের তালিকা হালনাগাদ করা হয়েছে এবং তাদের ওপর বিশেষ নজরদারি চলছে।
তিনি বলেন, বন বিভাগ, র‌্যাব, কোস্টগার্ড, পুলিশ ও নৌপুলিশের সমন্বয়ে যৌথ বাহিনী গঠন করে দ্রুত গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালনা করা হবে। এ বিষয়ে খুলনায় সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার, বনজ সম্পদ লুটপাট এবং জেলে ও বনজীবীদের বাধাগ্রস্ত করার মতো অপরাধের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।
স্থানীয় জেলেরা বলছেন, কার্যকর অভিযান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে তাদের জীবিকা হুমকির মুখে পড়বে। সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।



ফেসবুক কর্নার