March 6, 2026, 2:46 am
শিরোনাম :

সংরক্ষিত নারী আসন ঘিরে আলোচনা: দক্ষিণাঞ্চলে এগিয়ে পাইলট রেনজিনা আহমেদ প্রিয়াংকা

অভয়নগর প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনায় এসেছে সংরক্ষিত নারী আসন। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সম্ভাব্য মনোনয়নপ্রত্যাশীদের নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। নির্বাচন কমিশনের আভাস অনুযায়ী, রমজান মাসেই ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।
বাগেরহাট ও খুলনা জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত নারী আসনকে ঘিরে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে তৎপরতা বেড়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় আলোচনায় রয়েছেন সমাজসেবিকা ও ব্যবসায়ী পাইলট রেনজিনা আহমেদ প্রিয়াংকা। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল-এর মোল্লাহাট উপজেলা আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, বিগত সময়ে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন তিনি। রাজপথের কর্মসূচি, মানববন্ধন ও গণসংযোগে তার উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও সাংগঠনিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থাকাকে স্থানীয় নেতাকর্মীরা তার রাজনৈতিক দৃঢ়তার প্রমাণ হিসেবে দেখছেন।
সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় অংশগ্রহণ রয়েছে তার। নারী শিক্ষা বিস্তার, দরিদ্র পরিবারকে সহায়তা, আত্মকর্মসংস্থান উদ্যোগ ও সচেতনতামূলক কর্মসূচিতে সম্পৃক্ততার মাধ্যমে এলাকায় পরিচিতি গড়ে তুলেছেন তিনি। স্থানীয়দের মতে, সংগঠক হিসেবে দক্ষতা ও সমাজসেবামূলক অভিজ্ঞতা তাকে এ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে রেখেছে।
গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে উঠান বৈঠক, নারী সমাবেশ ও প্রচার-প্রচারণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন পাইলট রেনজিনা আহমেদ প্রিয়াংকা। উপজেলা বিএনপির একাধিক নেতা মনে করেন, দলের দুঃসময়ে তার সক্রিয়তা ও নেতৃত্বগুণ তাকে সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নের ক্ষেত্রে এগিয়ে রেখেছে।
এ বিষয়ে পাইলট রেনজিনা আহমেদ প্রিয়াংকা বলেন, “দলের আদর্শ ও নীতির প্রতি আস্থা রেখেই মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। মনোনয়নের বিষয়টি সম্পূর্ণ দলীয় সিদ্ধান্ত—দল যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটিই মেনে নেব।”
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অভিমত, মনোনয়ন পেলে দক্ষিণাঞ্চলের নারীদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে তিনি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন।



ফেসবুক কর্নার