কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফজলুর রহমানকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। বর্তমানে তিনি কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ইবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ রানা জানান, ঘটনার পর থেকেই ফজলুর রহমান হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় পুলিশের নজরদারিতে ছিলেন। মামলা দায়েরের পর আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে এবং বিষয়টি আদালতকে জানানো হয়েছে। আহত অবস্থায় তিনি আপাতত সদর হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করছেন।
এ ঘটনায় আরও কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে, পুলিশ তাদের ভূমিকা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছে। মামলায় প্রধান আসামি হিসেবে ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিরা হলেন—সাবেক সহকারী রেজিস্টার বিশ্বজিত কুমার বিশ্বাস, উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা সিদ্দিকার সহকারী রেজিস্টার, সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার এবং হাবিবুর রহমান।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে ফজলুর রহমানের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় তার কাছ থেকে দুই পাতার লিখিত বক্তব্য নেওয়া হয়, যেখানে তিনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ৪ মার্চ বিকেল ৪টার দিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনে নিজ কার্যালয়ে ছুরিকাঘাতের শিকার হন আসমা সাদিয়া রুনা। পরে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমানকে আত্মহত্যার চেষ্টা অবস্থায় পাওয়া যায়। পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল বডি তাদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠালে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিক্ষিকাকে মৃত ঘোষণা করেন।