
মাদারীপুরে ওয়াইফাই ব্যবসায়ী আলমগীর হাওলাদার হত্যাকাণ্ডের জেরে প্রতিপক্ষের অন্তত ৩০টি বসতঘরে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে সংঘটিত দুটি ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং অনেক বাড়ি পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বুধবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি জানান, এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে এবং প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যাতে সাধারণ মানুষ আর কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মাদারীপুর সদর উপজেলার নতুন মাদারীপুর গ্রামের মনিরুজ্জামান আক্তার হাওলাদারের সঙ্গে একই এলাকার হাসান মুন্সির বিরোধ চলছিল। এরই জেরে মঙ্গলবার সকালে মনিরুজ্জামানের চাচাতো ভাই আলমগীর হাওলাদারকে কুপিয়ে হাত বিচ্ছিন্ন করে হত্যা করা হয়।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর সন্ধ্যায় প্রতিপক্ষের লোকজন হাসান মুন্সির পক্ষের অন্তত ৩০টি বসতঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর থেকে পুরো এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।