April 23, 2026, 4:16 pm
শিরোনাম :
বাগমারায় ৭ মাসের শিশুকে নিয়ে নিখোঁজ গৃহবধূ, উৎকণ্ঠায় পরিবার শিবগঞ্জে টানা চুরির ঘটনায় আতঙ্ক, চার দিনে ১৩ বাড়িতে সিঁধ কাটা মান্দায় জমি বিরোধে সাত বিঘার বোরো ধান কেটে নেওয়ার অভিযোগ ব্যবসা নিয়ে সংঘর্ষ মামলায় এনায়েতনগর যুবদলের তিন নেতা জামিনে মুক্তির পথে সিংগাইরে নারীর মরদেহ উদ্ধার, রহস্য উদঘাটনে ময়নাতদন্তের অপেক্ষায় পুলিশ শেরপুরে জমি দখলের অভিযোগে উত্তেজনা, জোরপূর্বক ঘর নির্মাণের দাবি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে শিক্ষকম্পতিকে লাঞ্ছনার অভিযোগ কমলনগরে ‘খলিল বাহিনী’ আতঙ্ক: ধর্ষণচেষ্টা, চুরি-ডাকাতির অভিযোগে উত্তাল জনপদ দেড় মাস ধরে আদালত চত্বরে ময়লার স্তূপ, দুর্ভোগে বিচারপ্রার্থী ও ব্যবসায়ীরা নলডাঙ্গায় আগুনে কৃষকের ৮টি ছাগল পুড়ে ছাই, ক্ষতি প্রায় ২ লাখ টাকা

বান্দরবানে অবাধে গর্জন গাছ নিধনের অভিযোগ, বিট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ‘ম্যানেজ’ করার কথা বলছে স্থানীয়রা

রাসেল লামা বান্দরবান

বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী এলাকায় অবাধে বন উজাড় ও মূল্যবান গর্জন গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, বনবিভাগের ইয়াংছা বিট কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানের ছত্রছায়ায় ও প্রত্যক্ষ মদদে এই গাছ নিধনের ঘটনা ঘটছে। কাঠ পাচারকারীদের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে গাছ কাটার সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১১ মার্চ রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে ফাঁসিয়াখালী এলাকা থেকে বড় আকারের কয়েকটি গর্জন গাছ কাটা হয়। ডুলহাজারার চিহ্নিত ব্যবসায়ী সোনা মিয়া মেম্বার ও বদর সওদাগর এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। গাছ কাটার সময় এলাকাবাসী বাধা দিতে গেলে তারা দাবি করেন, বিট কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানকে ‘ম্যানেজ’ করেই এই কাজ করছেন এবং এতে কেউ বাধা দিতে পারবে না।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে ইয়াংছা বিট কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি উত্তেজিত প্রতিক্রিয়া জানান। গর্জন গাছ কাটার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “জায়গা কি আমার বাবার?” এরপর তিনি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন এবং পরবর্তীতে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। দায়িত্বশীল কর্মকর্তার এমন আচরণে জনমনে ক্ষোভ ও সন্দেহ আরও বেড়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই ফাঁসিয়াখালী এলাকায় মূল্যবান গর্জনসহ বিভিন্ন প্রজাতির বনজ সম্পদ কেটে পাচার করা হচ্ছে। বন রক্ষার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠায় বনের অস্তিত্বই এখন হুমকির মুখে পড়েছে বলে মনে করছেন তারা।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল অবিলম্বে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ এবং অভিযুক্ত বিট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।



ফেসবুক কর্নার