May 14, 2026, 12:15 pm
শিরোনাম :
শ্যামগঞ্জ বাজারে আমিনুল সরকারের বেকারিতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের ভয়াবহ চিত্র অতিরিক্ত সোডা ব্যবহার, নোংরা পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন—জনস্বাস্থ্যে মারাত্মক ঝুঁকির অভিযোগ ইপিজেডে রাস্তা দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে আতঙ্কে হকার-শ্রমিকরা গর্জনিয়ায় পুলিশের অভিযানে ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার ঝিকরগাছায় দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নৈশপ্রহরীর মৃত্যু যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যা: রাঙামাটিতে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কুড়িগ্রামে খাদে পড়ার উপক্রম স্কুলবাস, অল্পের জন্য রক্ষা পেল শিক্ষার্থীরা শিবচরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু অতিবর্ষণ ও জলাবদ্ধতায় স্থবির রৌমারী, ১৮৪ মিমি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন সরকারের উন্নয়ন বার্তা পৌঁছে দিতে গুইমারায় তথ্য অফিসের প্রেস ব্রিফিং ইবি থিয়েটারের নতুন নেতৃত্বে প্রণয় ও জ্যোতি

নবীনগরে ভিজিএফ কার্ড বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তে প্রশাসন

মোহাম্মদ সেলিম ব্যুরো প্রধান ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার বীরগাঁও ইউনিয়নে ভিজিএফ কার্ড বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন-এর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে ইউনিয়ন পরিষদের তিন নারী সদস্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ইউনিয়নের নারী সদস্য রওশনা বেগম, জোহরা খাতুন ও ফাতেমা বেগম নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান-এর কাছে এ অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে ইউএনও জানান, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঈদ উপলক্ষে দরিদ্র, ভূমিহীন, দিনমজুর ও অসহায় পরিবারের জন্য সরকারের ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় জনপ্রতি ১০ কেজি করে চাল বিতরণের কথা রয়েছে। তবে বীরগাঁও ইউনিয়নে এই কার্যক্রম বাস্তবায়নে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগে বলা হয়, ইউনিয়ন পরিষদের তিন নারী সদস্যকে পাশ কাটিয়ে চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন তার পছন্দের ব্যক্তিদের মধ্যে ভিজিএফ কার্ড বিতরণ করছেন। এতে সংশ্লিষ্ট নারী সদস্যরা নিজ নিজ ওয়ার্ডের ভোটারদের কাছে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ছেন এবং তাদের নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
অভিযোগকারী নারী সদস্যরা বলেন, চেয়ারম্যান শুরু থেকেই ভিজিএফ কার্ড বিতরণে স্বেচ্ছাচারী আচরণ করছেন। তাদের কোনো ধরনের তথ্য না দিয়েই তিনি কার্ড বিতরণ করে যাচ্ছেন। বাধ্য হয়ে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, প্রথমে প্রায় দুই হাজার ভিজিএফ কার্ড পাওয়ার কথা বলা হলেও শেষ পর্যন্ত হাতে এসেছে মাত্র ২০৮টি কার্ড। এতে প্রতি ওয়ার্ডের পুরুষ সদস্যদের চাহিদাও পূরণ করা যায়নি। পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক তদ্বিরেও কিছু কার্ড দিতে হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান জানান, বিষয়টি তদন্তের জন্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে (পিআইও) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী রোববার চেয়ারম্যানকে তার কার্যালয়ে তলব করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য শুনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়রা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।



ফেসবুক কর্নার