June 24, 2026, 3:01 am
শিরোনাম :
হ্যাটট্রিকের আশায় রোনালদো, বড় লিড নিয়ে বিরতিতে পর্তুগাল আ. লীগের পরিকল্পনা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নস্যাৎ করে দিয়েছে : ডিএমপি কমিশনার একযোগে ১৬ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র নোয়াখালীতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন: ৫ লাখ ৭৬ হাজার শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর প্রস্তুতি মৃত্যুই আমাদের সবার শেষ গন্তব্য: পিয়া জান্নাতুল জুয়া প্রতিরোধে সংসদে বিল, সর্বোচ্চ সাজা ৭ বছরের কারাদণ্ড জলবায়ু অর্থায়ন ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আরও সহজলভ্য করার আহ্বান জনসচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া দুর্নীতি নির্মূল সম্ভব নয় পঞ্চগড়ে মাতৃত্বকালীন ভাতায় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ যোগ্যরা বঞ্চিত, সুবিধা পাচ্ছেন অযোগ্যরা; তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের অপপ্রচার ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানিকগঞ্জজুড়ে বিএনপির বিক্ষোভ

লামায় বসতবাড়িতে হামলার অভিযোগ: অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচল ৪ মাসের শিশু

রাসেল লামা বান্দরবান

বান্দরবানের লামা উপজেলায় ভূমি বিরোধ ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এক অসহায় পরিবারের বসতবাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলাকারীদের ছোড়া ইট জানালার ফাঁক দিয়ে ঘরের ভেতরে ঢুকে পড়লে অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পায় মশারির ভেতরে ঘুমন্ত চার মাস বয়সী এক শিশু।
ঘটনাটি ঘটে গত ১৫ মার্চ রাত আনুমানিক ৮টার দিকে উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মুসলিম পাড়া এলাকায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ফাতেমা বেগম (৩০) ১৬ মার্চ লামা থানায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১০-১২ জনকে আসামি করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে অভিযুক্তরা ফাতেমা বেগমের পরিবারকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসছিল। অভিযোগে বলা হয়েছে, বিভিন্ন সময় তাদের বাগানের গাছ ও বাঁশ কেটে নেওয়া, গরু-ছাগল ও হাঁস-মুরগি নিয়ে যাওয়া এবং পরিবারকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনাও ঘটেছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, গত ১২ মার্চ ফাতেমা বেগমের স্বামী মহসিন বাগানে গেলে কয়েকজন অভিযুক্ত ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাকে ধাওয়া করে। প্রাণভয়ে তিনি এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বর্তমানে আত্মগোপনে রয়েছেন।
এরই ধারাবাহিকতায় ১৫ মার্চ রাতে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধ হয়ে তাদের বসতবাড়িতে হামলা চালায় এবং ঘরের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। এ সময় একটি বড় ইট জানালার ফাঁক দিয়ে ঘরের ভেতরে ঢুকে পড়ে। ঠিক পাশেই মশারির ভেতরে চার মাস বয়সী শিশুটি ঘুমিয়ে ছিল। মশারি থাকার কারণে ইটটি সরাসরি শিশুর গায়ে না লাগায় সে অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পায়।
ঘটনার পরপরই ফাতেমা বেগম জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ আসার খবর পেয়ে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
বর্তমানে ফাতেমা বেগম ও তার সন্তানরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। ভয়ভীতির কারণে তার সন্তানরা স্কুল ও মাদ্রাসায় যেতে পারছে না বলেও অভিযোগ করেন।
এ বিষয়ে ফাতেমা বেগম প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
লামা থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



ফেসবুক কর্নার