April 26, 2026, 5:53 am
শিরোনাম :
বনানীতে মাদক কারবারের অভিযোগ: উদ্বিগ্ন স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকরা কসবার দ্বীন-ইসলাম হত্যা মামলার প্রধান আসামি আউয়াল গ্রেপ্তার নেত্রকোনায় সোমা আক্তার হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন, আসামিদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবি রৌমারীতে জ্বালানি সংকট: চরম ভোগান্তিতে জনজীবন, বিপাকে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা দিরাইয়ে ২৫ লিটার চোলাইমদসহ যুবক গ্রেপ্তার দিরাইয়ে জন্ম নিবন্ধনে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ,ইউনিয়ন পরিষদের সচিব স্বপন তালুকদারের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে আনতে গিয়ে শ্বশুরবাড়ির নির্যাতনে যুবকের মৃত্যু, মামলা দায়ের রাজশাহীতে হেযবুত তওহীদ ছাত্র ফোরামের বিভাগীয় সমাবেশ ‘অপরাজনীতিতে আর একটি প্রাণও অপচয় নয়’ নাইক্ষ্যংছড়িতে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ ও বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস পালিত রায়গঞ্জে বাসচাপায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার

চাঁপাইনবাবগঞ্জে উদ্ধারকৃত মোবাইল নিয়ে প্রশ্ন, গায়েবের অভিযোগে আলোচনা-সমালোচনা

সানাউল্লাহ সুমন চাপাইনবয়াবগঞ্জ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা মোড়ে পুলিশের উদ্ধার করা মোবাইল ফোনের একটি অংশ গায়েব হওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
স্থানীয় ও একাধিক সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ মনাকষা মোড়ে অভিযান চালায়। এ সময় সন্দেহজনক একটি মোটরসাইকেল তল্লাশি করে মোবাইল ফোনসহ দুইজনকে আটক করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন এসআই ইমরান হোসেন। তার সঙ্গে একজন শিক্ষানবিশ এএসপি ও দুইজন এএসআই উপস্থিত ছিলেন।
আটককৃতরা হলেন শিবগঞ্জ উপজেলার তারাপুর মোন্নাপাড়া গ্রামের মো. ডালিম রেজা (২১) এবং চাঁদপুর জেলার পণ্ডিতপাড়া সাহাপাড়া এলাকার মো. রহিম (৩৬)।
গোপন সূত্রের দাবি, উদ্ধার করা প্রায় ১২০টি মোবাইল সেটের মধ্যে একটি অংশ থানায় জমা না দিয়ে বিক্রি করা হয়েছে। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযানে নেতৃত্বদানকারী এসআই ইমরান হোসেন। তিনি বলেন, “আমরা মোট ৬১টি মোবাইল সেট ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করেছি এবং আটককৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। গায়েবের অভিযোগটি ভিত্তিহীন।”
এদিকে একটি অডিও রেকর্ডে কিছু মোবাইল সেট ‘সোর্সকে’ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা রয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযানে উপস্থিত শিক্ষানবিশ এএসপি ফিরোজ কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
শিবগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) শাকিল হাসান জানান, মামলার এজাহারে ৬১টি মোবাইল সেট ও একটি মোটরসাইকেল জব্দের কথা উল্লেখ রয়েছে। এর বাইরে তার জানা নেই।
শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হুমায়ুন কবির বলেন, ঘটনার সময় তিনি ছুটিতে থাকায় এ বিষয়ে মন্তব্য করতে পারেননি।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ এন ওয়াসিম ফিরোজ বলেন, “এজাহারে উল্লেখিত তথ্যই প্রাথমিকভাবে গ্রহণযোগ্য। তবে পরবর্তীতে কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। বিষয়টির স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।



ফেসবুক কর্নার