June 24, 2026, 2:13 am
শিরোনাম :
হ্যাটট্রিকের আশায় রোনালদো, বড় লিড নিয়ে বিরতিতে পর্তুগাল আ. লীগের পরিকল্পনা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নস্যাৎ করে দিয়েছে : ডিএমপি কমিশনার একযোগে ১৬ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র নোয়াখালীতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন: ৫ লাখ ৭৬ হাজার শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর প্রস্তুতি মৃত্যুই আমাদের সবার শেষ গন্তব্য: পিয়া জান্নাতুল জুয়া প্রতিরোধে সংসদে বিল, সর্বোচ্চ সাজা ৭ বছরের কারাদণ্ড জলবায়ু অর্থায়ন ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আরও সহজলভ্য করার আহ্বান জনসচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া দুর্নীতি নির্মূল সম্ভব নয় পঞ্চগড়ে মাতৃত্বকালীন ভাতায় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ যোগ্যরা বঞ্চিত, সুবিধা পাচ্ছেন অযোগ্যরা; তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের অপপ্রচার ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানিকগঞ্জজুড়ে বিএনপির বিক্ষোভ

ভোটার তালিকা থেকে বাদ মীর জাফরের ৩৪৬ বংশধর

অভয়নগর প্রতিবেদক

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ-এর মুর্শিদাবাদ জেলায় নবাব পরিবারের ৩৪৬ সদস্যের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এরা সবাই বাংলার সাবেক নবাব মীর জাফর-এর বংশধর। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নির্বাচন কমিশনের ‘বিশেষ নিবিড় সংশোধনী’ (এসআইআর) কার্যক্রমের পর প্রথমে তাদের নাম ‘বিচারাধীন’ তালিকায় রাখা হয়। পরে সম্পূরক ভোটার তালিকা প্রকাশিত হলে দেখা যায়, পরিবারের কয়েকশ সদস্যের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। অথচ ২০২৫ সাল পর্যন্ত তারা নিয়মিত ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
‘ছোট নবাব’ নামে পরিচিত সৈয়দ রেজা আলী মির্জা অভিযোগ করেন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও তাদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তার দাবি, শুধু তিনি নন, পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্য—এমনকি তার ছেলে, যিনি একজন জনপ্রতিনিধি—তাকেও তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
পরিবারের আরেক সদস্য সৈয়দ মোহাম্মদ ফাহিম মির্জা জানান, ২০০২ সালের ভোটার তালিকাতেও তাদের নাম ছিল। হঠাৎ করে নাম বাদ দেওয়ার কারণ তারা বুঝতে পারছেন না।
নবাব পরিবারের দাবি, দেশভাগের সময় তাদের পূর্বপুরুষ ওয়াসিফ আলি মির্জা ভারতে থাকার সিদ্ধান্ত নেন এবং মুর্শিদাবাদকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত রাখতে তাদের পরিবারের ভূমিকা ছিল। তাদের মতে, ভারতের সর্বোচ্চ আদালতও অতীতে তাদের বংশপরিচয় স্বীকৃতি দিয়েছে।
এদিকে জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।
আগামী ২৩ এপ্রিল মুর্শিদাবাদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে আইনি প্রক্রিয়া দীর্ঘ হলে সংশ্লিষ্টরা চলতি নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে না পারার আশঙ্কা করছেন।



ফেসবুক কর্নার