May 14, 2026, 9:38 am
শিরোনাম :
শ্যামগঞ্জ বাজারে আমিনুল সরকারের বেকারিতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের ভয়াবহ চিত্র অতিরিক্ত সোডা ব্যবহার, নোংরা পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন—জনস্বাস্থ্যে মারাত্মক ঝুঁকির অভিযোগ ইপিজেডে রাস্তা দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে আতঙ্কে হকার-শ্রমিকরা গর্জনিয়ায় পুলিশের অভিযানে ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার ঝিকরগাছায় দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নৈশপ্রহরীর মৃত্যু যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যা: রাঙামাটিতে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কুড়িগ্রামে খাদে পড়ার উপক্রম স্কুলবাস, অল্পের জন্য রক্ষা পেল শিক্ষার্থীরা শিবচরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু অতিবর্ষণ ও জলাবদ্ধতায় স্থবির রৌমারী, ১৮৪ মিমি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন সরকারের উন্নয়ন বার্তা পৌঁছে দিতে গুইমারায় তথ্য অফিসের প্রেস ব্রিফিং ইবি থিয়েটারের নতুন নেতৃত্বে প্রণয় ও জ্যোতি

শের-ই-বাংলা মেডিকেলে ডায়রিয়া ওয়ার্ড সংকট: নারী-পুরুষ একসঙ্গে চিকিৎসায় ভোগান্তি

অভয়নগর প্রতিবেদক

দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান চিকিৎসাকেন্দ্র শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো পৃথক ডায়রিয়া ওয়ার্ড চালু হয়নি। এতে করে প্রতিদিনই চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন রোগীরা, বিশেষ করে নারী রোগীরা পড়ছেন বিব্রতকর পরিস্থিতিতে।
বর্তমানে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বরিশাল জেনারেল হাসপাতালের একটি সীমিত পরিসরের ওয়ার্ডে। সরেজমিনে দেখা গেছে, হাসপাতাল চত্বরে একটি টিনশেড ভবনে মাত্র চার শয্যার একটি ডায়রিয়া ইউনিট রয়েছে। অথচ প্রতিদিন সেখানে ২০ থেকে ২৫ জন রোগী ভর্তি হচ্ছেন, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী।
শয্যা সংকটের কারণে অনেক রোগীকেই মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। একই ওয়ার্ডে নারী-পুরুষ একসঙ্গে অবস্থান করায় সৃষ্টি হচ্ছে অস্বস্তিকর পরিবেশ। নারী রোগীদের অনেক ক্ষেত্রে অস্থায়ীভাবে কাপড় টাঙিয়ে পৃথকতার ব্যবস্থা করতে দেখা গেছে।
রোগীদের অভিযোগ, এ ধরনের পরিবেশে চিকিৎসা গ্রহণ শুধু অস্বস্তিকরই নয়, বরং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও সামাজিক মর্যাদার জন্যও বিব্রতকর। একাধিক রোগী জানিয়েছেন, নারীদের জন্য পৃথক ওয়ার্ডের অভাব তাদের জন্য বাড়তি কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল জেনারেল হাসপাতালকে ২০০ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা থাকলেও তা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। পাশাপাশি হাসপাতালের সম্প্রসারণের লক্ষ্যে নির্মাণাধীন একটি বহুতল ভবনের কাজও দীর্ঘদিন ধরে আটকে রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দ্রুত পৃথক ডায়রিয়া ওয়ার্ড চালু ও হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা না হলে দক্ষিণাঞ্চলের বিপুল জনগোষ্ঠীর চিকিৎসাসেবা আরও চাপের মুখে পড়বে।



ফেসবুক কর্নার