April 23, 2026, 2:48 pm
শিরোনাম :
মান্দায় জমি বিরোধে সাত বিঘার বোরো ধান কেটে নেওয়ার অভিযোগ ব্যবসা নিয়ে সংঘর্ষ মামলায় এনায়েতনগর যুবদলের তিন নেতা জামিনে মুক্তির পথে সিংগাইরে নারীর মরদেহ উদ্ধার, রহস্য উদঘাটনে ময়নাতদন্তের অপেক্ষায় পুলিশ শেরপুরে জমি দখলের অভিযোগে উত্তেজনা, জোরপূর্বক ঘর নির্মাণের দাবি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে শিক্ষকম্পতিকে লাঞ্ছনার অভিযোগ কমলনগরে ‘খলিল বাহিনী’ আতঙ্ক: ধর্ষণচেষ্টা, চুরি-ডাকাতির অভিযোগে উত্তাল জনপদ দেড় মাস ধরে আদালত চত্বরে ময়লার স্তূপ, দুর্ভোগে বিচারপ্রার্থী ও ব্যবসায়ীরা নলডাঙ্গায় আগুনে কৃষকের ৮টি ছাগল পুড়ে ছাই, ক্ষতি প্রায় ২ লাখ টাকা প্রধান শিক্ষকের অবহেলায় এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারল না শিক্ষার্থী খুলনায় গুপ্ত রাজনীতির বিরুদ্ধে ছাত্রদলের দেয়াললিখন

শের-ই-বাংলা মেডিকেলে ডায়রিয়া ওয়ার্ড সংকট: নারী-পুরুষ একসঙ্গে চিকিৎসায় ভোগান্তি

অভয়নগর প্রতিবেদক

দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান চিকিৎসাকেন্দ্র শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো পৃথক ডায়রিয়া ওয়ার্ড চালু হয়নি। এতে করে প্রতিদিনই চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন রোগীরা, বিশেষ করে নারী রোগীরা পড়ছেন বিব্রতকর পরিস্থিতিতে।
বর্তমানে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বরিশাল জেনারেল হাসপাতালের একটি সীমিত পরিসরের ওয়ার্ডে। সরেজমিনে দেখা গেছে, হাসপাতাল চত্বরে একটি টিনশেড ভবনে মাত্র চার শয্যার একটি ডায়রিয়া ইউনিট রয়েছে। অথচ প্রতিদিন সেখানে ২০ থেকে ২৫ জন রোগী ভর্তি হচ্ছেন, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী।
শয্যা সংকটের কারণে অনেক রোগীকেই মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। একই ওয়ার্ডে নারী-পুরুষ একসঙ্গে অবস্থান করায় সৃষ্টি হচ্ছে অস্বস্তিকর পরিবেশ। নারী রোগীদের অনেক ক্ষেত্রে অস্থায়ীভাবে কাপড় টাঙিয়ে পৃথকতার ব্যবস্থা করতে দেখা গেছে।
রোগীদের অভিযোগ, এ ধরনের পরিবেশে চিকিৎসা গ্রহণ শুধু অস্বস্তিকরই নয়, বরং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও সামাজিক মর্যাদার জন্যও বিব্রতকর। একাধিক রোগী জানিয়েছেন, নারীদের জন্য পৃথক ওয়ার্ডের অভাব তাদের জন্য বাড়তি কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল জেনারেল হাসপাতালকে ২০০ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা থাকলেও তা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। পাশাপাশি হাসপাতালের সম্প্রসারণের লক্ষ্যে নির্মাণাধীন একটি বহুতল ভবনের কাজও দীর্ঘদিন ধরে আটকে রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দ্রুত পৃথক ডায়রিয়া ওয়ার্ড চালু ও হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা না হলে দক্ষিণাঞ্চলের বিপুল জনগোষ্ঠীর চিকিৎসাসেবা আরও চাপের মুখে পড়বে।



ফেসবুক কর্নার