June 24, 2026, 1:55 am
শিরোনাম :
হ্যাটট্রিকের আশায় রোনালদো, বড় লিড নিয়ে বিরতিতে পর্তুগাল আ. লীগের পরিকল্পনা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নস্যাৎ করে দিয়েছে : ডিএমপি কমিশনার একযোগে ১৬ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র নোয়াখালীতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন: ৫ লাখ ৭৬ হাজার শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর প্রস্তুতি মৃত্যুই আমাদের সবার শেষ গন্তব্য: পিয়া জান্নাতুল জুয়া প্রতিরোধে সংসদে বিল, সর্বোচ্চ সাজা ৭ বছরের কারাদণ্ড জলবায়ু অর্থায়ন ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আরও সহজলভ্য করার আহ্বান জনসচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া দুর্নীতি নির্মূল সম্ভব নয় পঞ্চগড়ে মাতৃত্বকালীন ভাতায় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ যোগ্যরা বঞ্চিত, সুবিধা পাচ্ছেন অযোগ্যরা; তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের অপপ্রচার ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানিকগঞ্জজুড়ে বিএনপির বিক্ষোভ

গোয়াইনঘাটে উন্নয়ন কাজে ৩৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, ঠিকাদার আব্দুস সালাম মোর্শেদ বিরুদ্ধে

বিল্লাল হোসেন গোয়ানঘাট সিলেট প্রতিনিধি

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজকে ঘিরে বড় ধরনের আর্থিক অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন মূল ঠিকাদার আব্দুস সালাম মোর্শেদ। তার বিরুদ্ধে সাব-কন্ট্রাক্টরকে প্রায় ৩৩ লাখ টাকারও বেশি পাওনা পরিশোধ না করার অভিযোগ করা হয়েছে, যার ফলে বিপাকে পড়েছেন সংশ্লিষ্ট নির্মাণ শ্রমিকরা।
ভুক্তভোগী সাব-কন্ট্রাক্টর সুলতান আহমদ জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সেন্দ গ্রামের আব্দুস সালাম মোর্শেদ তার মালিকানাধীন ‘মেসার্স আব্দুস সালাম’ ও ‘মেসার্স সিটি টেক ইন্টারন্যাশনাল’ প্রতিষ্ঠানের নামে গোয়াইনঘাট উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর ও কক্ষ নির্মাণের কাজ নেন। পরে বরইতলা, সাতকুড়িকান্দি, হাকুর বাজার, নিয়াগুল ও নন্দিরগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাজগুলো সাব-কন্ট্রাক্ট হিসেবে তাকে দেন।
তার দাবি, তিনি ইতোমধ্যে প্রায় ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন করেছেন। শুরুতে কিছু বিল পরিশোধ করা হলেও পরবর্তীতে মূল ঠিকাদার কৌশলে টাকা দেওয়া বন্ধ করে দেন। অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর থেকে বিল উত্তোলন করা হলেও সাব-কন্ট্রাক্টরকে তার প্রাপ্য অর্থ পরিশোধ করা হয়নি।
সুলতান আহমদ আরও জানান, গত ১৬ মার্চ ২০২৬ তারিখে তাকে এনআরবিসি ব্যাংকের ৮ লাখ ৯৯ হাজার ৮৮৫ টাকার একটি চেক দেওয়া হয়। তবে ব্যাংকে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, ওই অর্থ ইতোমধ্যে উত্তোলন করা হয়েছে। তার হিসাবে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের কাজ বাবদ ২৩ লাখ ৭৪ হাজার ৪৮৫ টাকা এবং আনুষঙ্গিক খরচসহ মোট ৩৩ লাখ ৫২ হাজার ৪৮৫ টাকা পাওনা রয়েছে।
বর্তমানে তিনি চরম আর্থিক সংকটে রয়েছেন। শ্রমিকদের মজুরি ও নির্মাণ সামগ্রীর মূল্য পরিশোধ করতে না পারায় কাজের অগ্রগতি ব্যাহত হচ্ছে। মাঠে প্রায় ৫ লাখ টাকার নির্মাণ সামগ্রী পড়ে রয়েছে বলেও তিনি জানান।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) হাসিব আহামদ বলেন, সাব-কন্ট্রাক্টরের সঙ্গে তাদের সরাসরি কোনো সম্পৃক্ততা নেই। মূল ঠিকাদারকে নিয়ম অনুযায়ী বিল প্রদান করা হয়েছে। তবে বিষয়টি সমাধানে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে একাধিকবার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্ত আব্দুস সালাম মোর্শেদের বলেন আমার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ ভিত্তিহীন
এদিকে সরকারি উন্নয়ন কাজ মাঝপথে আটকে যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী সাব-কন্ট্রাক্টর দ্রুত পাওনা আদায় ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।



ফেসবুক কর্নার