June 4, 2026, 6:08 pm
শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁওয়ে ৭৩ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী শিক্ষার্থীর হাতে শিক্ষাবৃত্তি মোরেলগঞ্জে জমি বিরোধ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন, হামলার অভিযোগ সেনাবাহিনীর সহায়তায় দৃষ্টিশক্তি রক্ষার আশায় পাহাড়ি শিশু মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকেও মোটরসাইকেল চুরি, রৌমারীতে বাড়ছে বাইক চোর চক্রের তৎপরতা রামপালে হত্যা মামলায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে বিএনপির বিক্ষোভ মা-বাবার প্রতি অবহেলা রোধে মানিকগঞ্জে মানববন্ধন প্রাথমিক শিক্ষায় যুগান্তকারী পদক্ষেপ: চলতি বছরেই চালু হচ্ছে দেশব্যাপী মিড ডে মিল ও স্কুল ড্রেস নওগাঁয় মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড মধ্যরাতের আগুনে পুড়ল স্বপ্নের ঠিকানা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে এমপি টিপু নড়াইলে ১৪ বছর কম্পিউটার শিক্ষা বন্ধ: নীরব কেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ? প্রশ্নে শিক্ষা ব্যবস্থার জবাবদিহিতা

নওগাঁয় আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঘর বেচাকেনার অভিযোগ, তদন্ত শুরু

জালাল হোসেন নওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁর রাণীনগরে ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষের জন্য নির্মিত সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর কেনাবেচার অভিযোগ উঠেছে। একই ঘর একাধিকবার বিক্রি, প্রভাবশালীদের দখল এবং প্রকৃত অসহায়দের বঞ্চিত করার নানা অভিযোগে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
উপজেলার মালিপুকুর আশ্রয়ণ প্রকল্পে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বেশ কয়েকটি ঘরে মূল বরাদ্দপ্রাপকের পরিবর্তে অন্য ব্যক্তিরা বসবাস করছেন। স্থানীয়দের দাবি, অনেকেই স্ট্যাম্প ও অনানুষ্ঠানিক চুক্তির মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে এসব ঘর ক্রয় করেছেন।
অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পের ৫ নম্বর ঘরটি মূল বরাদ্দ পেয়েছিলেন মল্লিকা নামের এক নারী। বর্তমানে সেখানে বসবাস করছেন মর্জিনা বিবি। তিনি জানান, মধ্যস্থতার মাধ্যমে ঘরটি কিনেছেন। একইভাবে আরও কয়েকটি ঘর ৬০ হাজার থেকে ১ লাখ ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে হাতবদল হয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
প্রকল্পের বাসিন্দা নাজমা বেগম অভিযোগ আংশিক স্বীকার করে বলেন, “যাদের নামে ঘর বরাদ্দ হয়েছে, তাদের অনেকে এখানে থাকতে চান না। এজন্য স্থানীয়দের কাছে থাকতে সহায়তা করা হয়েছে।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকৃত ভূমিহীনদের পরিবর্তে তুলনামূলক স্বচ্ছল ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ঘর বরাদ্দ দেওয়ার কারণেই অনিয়মের সুযোগ তৈরি হয়েছে। কয়েকজনের বিরুদ্ধে প্রভাব খাটিয়ে ঘর নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
তবে অভিযুক্তদের কেউ কেউ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, তারা নিয়ম অনুযায়ী ঘরে বসবাস করছেন এবং বিক্রির অভিযোগ সত্য নয়।
প্রকল্পের সভাপতি ফরিদ আলী বলেন, “৩২টি ঘরের মধ্যে বেশ কয়েকটি ঘর হাতবদলের অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।”
এ বিষয়ে রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাকিবুল হাসান বলেন, “ঘর কেনাবেচার অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, সরকারের মানবিক আশ্রয়ণ প্রকল্পে অনিয়ম বন্ধে কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত তদারকি প্রয়োজন।



ফেসবুক কর্নার