May 13, 2026, 10:42 am
শিরোনাম :
মেঘনায় অভিযানে ৫ লাখ টাকার কারেন্ট জাল জব্দ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কড়া নির্দেশের পর শেবাচিমে অভিযান, আটক ৮ দালাল ছাত্রদল নেতা বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার নিষিদ্ধ সংগঠনের মিছিলের প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছাত্রদলের শোডাউন এক মাসেও গ্রেপ্তার হয়নি প্রধান আসামি, পীর শামীম হত্যা মামলায় তদন্তে অগ্রগতির দাবি জরাজীর্ণ মাদ্রাসায় মানবেতর পরিবেশে শিক্ষা নিচ্ছে ১১০ বালিকা শিক্ষার্থী নোয়াখালীতে আন্তর্জাতিক নার্সেস দিবস পালিত সেরা নার্স নির্বাচিত সবিতা রানী মিস্ত্রি নবনিযুক্ত ইউএনওকে নিয়ে তজুমদ্দিনে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা নওগাঁয় আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঘর বেচাকেনার অভিযোগ, তদন্ত শুরু রেঞ্জ ডিআইজির নির্দেশনায় মৌলভীবাজারে সড়ক অভিযান, মামলা ও যানবাহন জব্দ

নওগাঁয় আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঘর বেচাকেনার অভিযোগ, তদন্ত শুরু

জালাল হোসেন নওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁর রাণীনগরে ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষের জন্য নির্মিত সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর কেনাবেচার অভিযোগ উঠেছে। একই ঘর একাধিকবার বিক্রি, প্রভাবশালীদের দখল এবং প্রকৃত অসহায়দের বঞ্চিত করার নানা অভিযোগে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
উপজেলার মালিপুকুর আশ্রয়ণ প্রকল্পে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বেশ কয়েকটি ঘরে মূল বরাদ্দপ্রাপকের পরিবর্তে অন্য ব্যক্তিরা বসবাস করছেন। স্থানীয়দের দাবি, অনেকেই স্ট্যাম্প ও অনানুষ্ঠানিক চুক্তির মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে এসব ঘর ক্রয় করেছেন।
অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পের ৫ নম্বর ঘরটি মূল বরাদ্দ পেয়েছিলেন মল্লিকা নামের এক নারী। বর্তমানে সেখানে বসবাস করছেন মর্জিনা বিবি। তিনি জানান, মধ্যস্থতার মাধ্যমে ঘরটি কিনেছেন। একইভাবে আরও কয়েকটি ঘর ৬০ হাজার থেকে ১ লাখ ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে হাতবদল হয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
প্রকল্পের বাসিন্দা নাজমা বেগম অভিযোগ আংশিক স্বীকার করে বলেন, “যাদের নামে ঘর বরাদ্দ হয়েছে, তাদের অনেকে এখানে থাকতে চান না। এজন্য স্থানীয়দের কাছে থাকতে সহায়তা করা হয়েছে।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকৃত ভূমিহীনদের পরিবর্তে তুলনামূলক স্বচ্ছল ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ঘর বরাদ্দ দেওয়ার কারণেই অনিয়মের সুযোগ তৈরি হয়েছে। কয়েকজনের বিরুদ্ধে প্রভাব খাটিয়ে ঘর নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
তবে অভিযুক্তদের কেউ কেউ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, তারা নিয়ম অনুযায়ী ঘরে বসবাস করছেন এবং বিক্রির অভিযোগ সত্য নয়।
প্রকল্পের সভাপতি ফরিদ আলী বলেন, “৩২টি ঘরের মধ্যে বেশ কয়েকটি ঘর হাতবদলের অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।”
এ বিষয়ে রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাকিবুল হাসান বলেন, “ঘর কেনাবেচার অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, সরকারের মানবিক আশ্রয়ণ প্রকল্পে অনিয়ম বন্ধে কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত তদারকি প্রয়োজন।



ফেসবুক কর্নার