May 26, 2026, 5:26 pm
শিরোনাম :
জাতীয় কবি নজরুল বুঝেছিলেন জিঞ্জির ভাঙতে হলে আঘাত করতে হয়: বিদ্যুৎমন্ত্রী স্কুল ক্রিকেটে ইতিহাস গড়ল কুলাউড়ার এনসি স্কুল রাঙ্গামাটিতে গণঅধিকার পরিষদের আংশিক কমিটি অনুমোদন ভূরুঙ্গামারীতে পানিতে ডুবে মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধার মৃত্যু বিরামপুরে বিজিবির অভিযানে ২৮৮ বোতল যৌন উত্তেজক সিরাপ জব্দ কুড়িগ্রামে বেইলী ব্রিজ এলাকায় হানিফ পরিবহনের বাস দুর্ঘটনা, অল্পের জন্য রক্ষা যাত্রীরা ভেড়ামারায় ১১ বছরের নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগ,সৎ নানা সাহাবুলকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ চিরনিদ্রায় শায়িত ৯ যুবক, শোকে স্তব্ধ তিন গ্রাম একসঙ্গে ৬ জনের জানাজা, কান্নায় ভারী রাজেন্দ্রবাটি রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে শেবাচিম হাসপাতালে সংঘর্ষ, ধর্মঘটে ইন্টার্ন চিকিৎসক নোয়াখালী শিল্পকলা একাডেমিতে নজরুল জন্মজয়ন্তী উদযাপন

জাতীয় কবি নজরুল বুঝেছিলেন জিঞ্জির ভাঙতে হলে আঘাত করতে হয়: বিদ্যুৎমন্ত্রী

রাকিবুল ইসলাম রাকিব

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৫ মে) রাতে সিরাজগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, নজরুল ছিলেন সময়ের কবি এবং তিনি রাজনীতি গভীরভাবে বুঝতেন। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে কেবল খেলাফত বা অসহযোগ আন্দোলনের মাধ্যমে ব্রিটিশদের বিতাড়িত করা সম্ভব নয়। আর সেই ভাবনা থেকেই তিনি লিখেছিলেন বিখ্যাত কবিতা “কারার ঐ লৌহ কপাট”। তিনি বিশ্বাস করতেন, জিঞ্জির ভাঙতে হলে আঘাত করতে হয়।

মন্ত্রী আরও বলেন, নজরুল তুরস্কের মহান নেতা মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক-এর বিপ্লবী আদর্শে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত ছিলেন। আতাতুর্ক যেভাবে তুরস্কের সমাজব্যবস্থাকে আধুনিক রূপ দিয়েছিলেন এবং নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তার প্রভাব নজরুলের লেখনীতে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

তিনি বলেন, নজরুলের সাহিত্যকর্মের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য ছিল বিভিন্ন ভাষার অসাধারণ মিশ্রণ। তাঁর লেখায় আরবি, ফারসি, উর্দু ও হিন্দি ভাষার শব্দচয়ন এক অনন্য সৌন্দর্য সৃষ্টি করেছে। পাশাপাশি নজরুলের গান ও সুরও ছিল অতুলনীয়।

নজরুলকে “মানুষের কবি” ও “মেহনতি মানুষের কণ্ঠস্বর” উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সাধারণ ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবার থেকে উঠে আসায় তিনি মানুষের দুঃখ-কষ্ট গভীরভাবে অনুভব করতে পেরেছিলেন। তাই তাঁর লেখায় বিদ্রোহ, প্রেম ও সাম্যের বাণী সমানভাবে প্রকাশ পেয়েছে।

মো. আমিনুল ইসলাম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন—
মো. কামরুল ইসলাম,
নাজরান রউফ,
সাইদুর রহমান বাচ্চু এবং
মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম

অনুষ্ঠান শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমীর শিল্পীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। এতে কবির রচিত গান ও কবিতা পরিবেশন করেন স্থানীয় শিল্পীরা।



ফেসবুক কর্নার