
ঈদকে কেন্দ্র করে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার বিভিন্ন সড়কে সিএনজি অটোরিকশার অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে তাহেরপুর-রাজশাহী, তাহেরপুর-নাটোর এবং ভবানীগঞ্জ-রাজশাহী রুটে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বাড়তি ভাড়া গুনতে হচ্ছে যাত্রীদের। এতে চরম ভোগান্তি ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একসময় তাহেরপুর থেকে রাজশাহী যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম ছিল বাস। তবে সময়ের পরিবর্তনে দ্রুত ও সহজ যাতায়াতের কারণে সিএনজি অটোরিকশা মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। কিন্তু প্রতি ঈদ মৌসুম এলেই ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে অভিযোগ দেখা দেয়।
তাহেরপুর থেকে নাটোরগামী এক যাত্রী জানান, সাধারণ সময়ে এ রুটে ভাড়া ৬০ থেকে ৭০ টাকা হলেও বর্তমানে ১০০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। একইভাবে ভবানীগঞ্জ-রাজশাহী রুটের যাত্রীরা অভিযোগ করেন, আগে যেখানে ১২০ টাকায় যাতায়াত করা যেত, সেখানে এখন ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত দিতে হচ্ছে।
যাত্রীরা অভিযোগ করে বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপের সুযোগ নিয়ে চালকরা বাড়তি ভাড়া আদায় করছেন। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের যাতায়াত ব্যয় বেড়ে গেছে।
তবে সিএনজি চালকদের দাবি, ঈদের সময় অনেক ক্ষেত্রে একদিকে যাত্রী পেলেও ফেরার পথে খালি গাড়ি নিয়ে ফিরতে হয়। এতে লোকসান পুষিয়ে নিতে অতিরিক্ত ২০ থেকে ৩০ টাকা ভাড়া নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, প্রশাসনের নিয়মিত তদারকি এবং নির্ধারিত ভাড়া তালিকা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে এ ধরনের অনিয়ম অনেকাংশে কমে আসবে। তারা যাত্রীদের স্বার্থে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
যাত্রীরা বলছেন, উৎসবের আনন্দকে ম্লান না করে নির্ধারিত ভাড়ায় পরিবহন সেবা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।