July 18, 2026, 12:29 am
শিরোনাম :
কাপ্তাই লেকে পানির উচ্চতা বাড়ছে, ১৬টি স্পিলওয়ে গেট খোলার প্রস্তুতি আগে এত উন্নয়নের গল্প শুনতাম, সেগুলো আসলে কোথায়–প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর হাকিমপুরে এনসিপির ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা-২০২৬’ উপলক্ষে পথসভা মহেশপুরে গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার নওয়াপাড়ায় ভৈরব নদে গোসল করতে নেমে গৃহবধূ নিখোঁজ, উদ্ধার অভিযান চলছে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে স্বর্ণালংকার লুটের পর হত্যা, নারী গ্রেপ্তার দোহাজারীতে ত্রাণ বিতরণে মঞ্চ ধস, পরে হুড়োহুড়িতে আহত ১০ দেশে গাড়ি উৎপাদন শুরু হলেই কি দাম কমবে? বাস্তবতা যা বলছে হাজারীবাগে জুতার কারখানায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে অনলাইন জুয়ার এজেন্ট গ্রেপ্তার, নগদ অর্থ ও সরঞ্জাম জব্দ

নির্বাচনী ব্যানার-ফেস্টুন সরিয়ে ফেলছেন জামায়াত প্রার্থী আ স ম সায়েম

Reporter Name

,নওগাঁ প্রতিনিধিঃ নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা মেনে নওগাঁ-৫ (সদর) আসনের জামায়াতে ইসলামী’র মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট আ স ম সায়েম তার নিজ উদ্যোগে সব ধরনের নির্বাচনী ব্যানার-ফেস্টুন সরিয়ে ফেলছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তফসিল ঘোষণার পর আজ শুক্রবার সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে নিজের ব্যানার-পোস্টার নিজেই অপসারণ করেন দাঁড়ি পাল্লা প্রতিকের এই প্রার্থী।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। এসময় নির্বাচন কমিশনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নির্বাচনে অংশ নেওয়া সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিজ খরচে সব ধরনের আগাম প্রচারসামগ্রী সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন। সেই প্রজ্ঞাপনের আলোকে শুক্রবার সকালে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী নেতা-কর্মীদের নিয়ে শহরের দয়ালের মোড়ে তার নির্বাচনি ব্যানার-পোস্টার নিজের হাতে খুলে অপসারণ শুরু করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আ স ম সায়েম বলেন, আইনের প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা রেখে রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করে জামায়াতে ইসলামী। সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা ও আচরণবিধি মেনে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নির্বাচনি প্রচারণামূলক ব্যানার ফেস্টুন সরিয়ে ফেলা হবে। নির্বাচনে প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগিতারও আশ্বাস দেন জামায়াতের এই প্রার্থী।

‎এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা কর্ম পরিষদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া, নওগাঁ সদর উপজেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম, পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি আনোয়ার আলমসহ সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা।



ফেসবুক কর্নার