
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইউরোপের অন্যতম পরাশক্তি ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে আবারও ফাইনালে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। পুরো ম্যাচজুড়েই মাঠের নিয়ন্ত্রণ ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল মেসিরা। এই নিয়ে সপ্তমবারের মত ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল আলবিসেলেস্তারা।
খেলার ৮৫ মিনিটে লিওনেল মেসির প্রথম অ্যাসিস্টে বল পেয়ে দুর্দান্ত এক ফিনিশিংয়ে আর্জেন্টিনাকে ১-১ সমতায় ফেরান চেলসি তারকা এনজো ফের্নান্দেস। এরপর ম্যাচ যখন নিশ্চিতভাবে অতিরিক্ত সময়ের দিকে যাচ্ছিল, ঠিক তখনই ইনজুরি টাইমের প্রথম মিনিটে লিওনেল মেসির জাদুকরী পাস (দ্বিতীয় অ্যাসিস্ট) থেকে বল পেয়ে ইংল্যান্ডের জাল কাঁপিয়ে দেন বদলি নামা স্ট্রাইকার লাউতারো মার্তিনেস। তার গোলেই ফাইনালের টিকিট কাটে আলবিসেলেস্তারা।
এর আগে ১৯৩০, ১৯৭৮, ১৯৮৬, ১৯৯০, ২০১৪ ও সর্বশেষ ২০২২ সালে বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলেছে তারা। এর মধ্যে ১৯৭৮ সালে নেদারল্যান্ডসকে ৩-১ গোলে, ১৯৮৬ সালে পশ্চিম জার্মানিকে ৩-২ গোল এবং সর্বশেষ ২০২২ সালে ফ্রান্সকে টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে হারিয়ে মোট ৩ বার বিশ্বকাপের শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছিল লাতিন আমেরিকার এই দেশটি।
২০২৬ বিশ্বকাপে আজকের খেলাসহ এ পর্যন্ত মোট ৮ টি ম্যাচ খেলেছে মেসিরা। এর মধ্যে সব ম্যাচেই জয় পেয়েছে স্কালোনির শিষ্যরা।
আগামী ১৯ জুলাই নিউইয়র্কের নিউজার্সিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের ফাইনালে ৮ম বারের মত খেলবে মেসি- মার্টিনেজরা। ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ ইউরোপিয়ান জায়েন্ট স্পেন। এখন দেখার অপেক্ষে কে হবে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন নাকি আর্জেন্টিনা।
১৬ জুলাই বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ার মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়ামে ৪০ বছর পর বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। এর আগে কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়েকে হারিয়ে শেষ চার নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড। অন্যদিকে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা