
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঢাকা কলেজের সাবেক জিএস প্রয়াত আব্দুল আউয়াল খানের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) দেবিদ্বার উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ সভার আয়োজন করা হয়।
দেবিদ্বার উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. জসীম উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও হোমনা-তিতাসের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও ঢাকা কলেজের সাবেক ভিপি মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রফিক সিকদার, সালাউদ্দিন ভূঁইয়া শিশির, একরামুল হক বিপ্লব, ওমর ফারুক সাফিন, যুবদল কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি জিয়াউর রহমান জিয়া, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সভাপতি আবুল কালাম এবং সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুল আউয়াল খান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া বলেন, “আমাদের দল তো এনসিপিকে সমর্থন করেনি। কিন্তু একটি কুচক্রী মহল ইলেকশনে তাদের সমর্থন দিয়েছে। যারা বিএনপির পতাকা লাগিয়ে এনসিপির ইলেকশন করছে, বিএনপি করার কোনো অধিকার নেই তাদের।”
প্রয়াত আব্দুল আউয়াল খান সম্পর্কে তিনি বলেন, তিনি পরিবার নিয়ে কখনো ভাবেননি; রাজনীতিই তার পেশা হয়ে গিয়েছিল। করোনাকালেও যখন মানুষ ঘর থেকে বের হতে ভয় পেতেন, তখনও তিনি ঘরে বসে না থেকে দলের জন্য কাজ করেছেন। বিএনপির জন্য তিনি যা করেছেন, তার জন্য বিএনপি কিছু করতে পারেনি—এটি দলের জন্য দুর্ভাগ্যের বিষয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
দলীয় সাংগঠনিক বিষয়ে অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া বলেন, কুমিল্লা উত্তর জেলা কমিটি গঠনের জন্য তিন মাসের সময় নেওয়া হয়েছে। দেবিদ্বার উপজেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্মেলনের মাধ্যমে গঠন করতে হবে। তিনি নেতাকর্মীদের অভ্যন্তরীণ বিরোধ এড়িয়ে দলের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, টাকা দিয়ে কেউ নেতৃত্ব নিলে এবং বিষয়টি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পদ বাতিল করা হবে।
বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট রফিক সিকদার বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার অসমাপ্ত কাজ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে। এ জন্য তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।
এর আগে নেতৃবৃন্দ প্রয়াত আব্দুল আউয়াল খানের গ্রামের বাড়ির পারিবারিক কবরস্থান জিয়ারত করেন। পরে উপস্থিত সবাই তার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন।