
মোহাঃ ফরহাদ হোসেন, কয়রা (খুলনা):
সুন্দরবনের আলোরকোলে শুরু হচ্ছে শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী রাস পূজা। আগামী ৩ নভেম্বর থেকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী এই ধর্মীয় উৎসবে হাজারো পুণ্যার্থী পূণ্যস্নান ও আচার পালনে অংশ নেবেন। ইতোমধ্যে বন বিভাগ সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে এবং ভক্তদের নির্বিঘ্ন অংশগ্রহণ নিশ্চিতে নিয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের খুলনা–সাতক্ষীরা রেঞ্জ সূত্রে জানা যায়, বনজ সম্পদ রক্ষায় ও নিরাপত্তার স্বার্থে শুধুমাত্র হিন্দু ধর্মাবলম্বী পুণ্যার্থীদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। সাধারণ পর্যটক ও দর্শনার্থীদের প্রবেশ সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রতিবছর কার্তিক–অগ্রহায়ণ মাসের শুক্লা পক্ষে এই রাস পূজা অনুষ্ঠিত হয়। সাগর তীরবর্তী এই পবিত্র স্থানে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা সূর্যোদয়ের সময় সমুদ্র স্নান করে পূণ্য অর্জনের প্রার্থনা করেন।
এ বছর রাস পূজায় যাওয়ার জন্য পাঁচটি নৌরুট নির্ধারণ করা হয়েছে—নলীয়ান, কাশিয়াবাদ ও বুড়িগোয়ালীনি স্টেশনসহ নির্দিষ্ট প্রবেশপথ দিয়ে পুণ্যার্থীরা অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) এজেডএম হাছানুর রহমান জানান, “পূর্ণার্থীদের নির্বিঘ্ন যাত্রা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। বন বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যৌথভাবে দায়িত্ব পালন করবে।” তিনি আরও বলেন, রাস পূজা শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি সুন্দরবনের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক উজ্জ্বল