April 23, 2026, 4:15 pm
শিরোনাম :
বাগমারায় ৭ মাসের শিশুকে নিয়ে নিখোঁজ গৃহবধূ, উৎকণ্ঠায় পরিবার শিবগঞ্জে টানা চুরির ঘটনায় আতঙ্ক, চার দিনে ১৩ বাড়িতে সিঁধ কাটা মান্দায় জমি বিরোধে সাত বিঘার বোরো ধান কেটে নেওয়ার অভিযোগ ব্যবসা নিয়ে সংঘর্ষ মামলায় এনায়েতনগর যুবদলের তিন নেতা জামিনে মুক্তির পথে সিংগাইরে নারীর মরদেহ উদ্ধার, রহস্য উদঘাটনে ময়নাতদন্তের অপেক্ষায় পুলিশ শেরপুরে জমি দখলের অভিযোগে উত্তেজনা, জোরপূর্বক ঘর নির্মাণের দাবি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে শিক্ষকম্পতিকে লাঞ্ছনার অভিযোগ কমলনগরে ‘খলিল বাহিনী’ আতঙ্ক: ধর্ষণচেষ্টা, চুরি-ডাকাতির অভিযোগে উত্তাল জনপদ দেড় মাস ধরে আদালত চত্বরে ময়লার স্তূপ, দুর্ভোগে বিচারপ্রার্থী ও ব্যবসায়ীরা নলডাঙ্গায় আগুনে কৃষকের ৮টি ছাগল পুড়ে ছাই, ক্ষতি প্রায় ২ লাখ টাকা

সুন্দরগঞ্জে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো সূর্য পূজা

মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম গাইবান্ধা প্রতিনিধি

মো: জাহিদুল ইসলাম, গাইবান্ধা:
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঘাঘট নদীর তীরে সম্পন্ন হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুদিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী সূর্য পূজা। উৎসবকে কেন্দ্র করে পুরো নদীর তীরে তৈরি হয় এক উৎসবমুখর পরিবেশ।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে শুরু হওয়া এই ধর্মীয় আচার মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত চলে। ভক্তরা নদীতে মেনে সূর্য দেবতার উদ্দেশ্যে প্রার্থনা করেন। শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি ও ঢাকঢোলের বাদ্যে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো ঘাঘট নদীর পাড়।
সোমবার দুপুরের পর থেকেই উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে ভক্তরা পুজোর ডালা সাজিয়ে মাথায় করে নদীর ঘাটে আসেন। ফল, ফুল ও নৈবেদ্য দিয়ে সূর্য দেবতার উদ্দেশ্যে সাজানো হয় প্রতিটি ডালা, প্রজ্বলন করা হয় মঙ্গলপ্রদীপ। এরপর ভক্তরা নদীতে নেমে সূর্য দেব ও ছট দেবীর উদ্দেশ্যে প্রার্থনা করেন, যা চলে সূর্যাস্ত পর্যন্ত। পরদিন সূর্যোদয়ের মধ্য দিয়ে শেষ হয় পূজার আনুষ্ঠানিকতা।
ভক্তরা দেশ, জাতি ও সমাজের মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা করেন এবং সারাদিন উপবাস থেকে পরিবার-পরিজনের কল্যাণ কামনা করেন সূর্য দেবের নিকট।
প্রতি বছর কার্তিক মাসের শুক্ল পক্ষের ষষ্ঠী তিথিতে এই সূর্য পূজা বা ছট পূজা অনুষ্ঠিত হয়। পূজারীরা জানান, প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে মহাভারতে গঙ্গা দেবীর পুত্র ভিঙ্গো পিতামা (বিশ্ব) প্রথম সন্তান প্রাপ্তির আশায় সূর্য দেবের আরাধনা করেছিলেন—সেই ঐতিহ্য আজও অব্যাহত রয়েছে।



ফেসবুক কর্নার