August 4, 2026, 2:09 pm
শিরোনাম :
ফিরে দেখা ৩৫ জুলাই ‘মার্চ টু ঢাকা’ একদিন এগিয়ে, গণঅভ্যুত্থানের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ লাইসেন্সহীন সিএনজির দৌরাত্ম্য, বাড়ছে দুর্ঘটনা ও অপরাধ রোমান্টিক ছবির সঙ্গে কী বার্তা দিলেন দেব-শুভশ্রী? ভারত থেকে আমদানিতে কাঁচা মরিচের দাম অর্ধেকের বেশি কমেছে ইয়াবাসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার চট্টগ্রাম সফরে হেফাজত আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সানি লিওনকে কাস্ট করা ছিল কাকতালীয় ঘটনা’—মহেশ ভাট প্রকাশ্যে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, এলাকায় চাঞ্চল্য কুমারখালীতে চক্ষু হাসপাতালের বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসা ও অনিয়মের অভিযোগ ভুয়া পুলিশ পরিচয়ে প্রতারণা, পাঁচ মামলার আসামি গ্রেপ্তার

গেছেন মুক্তিযুদ্ধের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ এ কে খন্দকার

অভয়নগর প্রতিবেদক

মহান মুক্তিযুদ্ধের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ, সাবেক বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকার, বীর উত্তম শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন।
প্রসঙ্গত, এ কে খন্দকার ২০০৮ এর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা ২ আসন থেকে (বেড়া-সুজানগর) সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। কর্মজীবনে তিনি বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রধান ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য ২০১১ সালে তিনি স্বাধীনতা পদক পান।

১৯৫২ সালের সেপ্টেম্বরে পিএএফ (পাকিস্তান বিমান বাহিনী) থেকে তিনি তার কমিশন (পাইলট অফিসার পদ) লাভ করেন। ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত তিনি ফাইটার পাইলট হিসেবে কাজ করেন ও পরে ফ্লাইং ইন্সট্রাক্টর হয়ে ওঠেন। তিনি পাকিস্তান এয়ার ফোর্স একাডেমীতে ১৯৫৭ সাল পর্যন্ত ছিলেন। ফ্লাইং ইন্সট্রাক্টর স্কুলে তিনি ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত ফ্লাইট কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে জেট ফাইটার কনভারশন স্কোয়াড্রনে তিনি ফ্লাইট কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ১৯৬০ সাল পর্যন্ত।
১৯৬১ সাল পর্যন্ত তিনি স্কোয়াড্রন কমান্ডার হিসেবে কাজ করেন পিএএফ একাডেমীতে। পরে জেট ফাইটার কনভারশন স্কোয়াড্রনে তিনি স্কোয়াড্রন কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত। ট্রেনিং উইং-এর অফিসার কমান্ডিং হিসেবে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত তিনি পিএএফ একাডেমীতে দায়িত্ব পালন করেন।

পিএএফ প্ল্যানিং বোর্ডের প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি ১৯৬৯ সালের আগ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে পিএএফ বেইসের দায়িত্ব পান ঢাকায় ১৯৬৯ সালে।



ফেসবুক কর্নার