June 24, 2026, 5:50 am
শিরোনাম :
হ্যাটট্রিকের আশায় রোনালদো, বড় লিড নিয়ে বিরতিতে পর্তুগাল আ. লীগের পরিকল্পনা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নস্যাৎ করে দিয়েছে : ডিএমপি কমিশনার একযোগে ১৬ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র নোয়াখালীতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন: ৫ লাখ ৭৬ হাজার শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর প্রস্তুতি মৃত্যুই আমাদের সবার শেষ গন্তব্য: পিয়া জান্নাতুল জুয়া প্রতিরোধে সংসদে বিল, সর্বোচ্চ সাজা ৭ বছরের কারাদণ্ড জলবায়ু অর্থায়ন ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আরও সহজলভ্য করার আহ্বান জনসচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া দুর্নীতি নির্মূল সম্ভব নয় পঞ্চগড়ে মাতৃত্বকালীন ভাতায় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ যোগ্যরা বঞ্চিত, সুবিধা পাচ্ছেন অযোগ্যরা; তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের অপপ্রচার ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানিকগঞ্জজুড়ে বিএনপির বিক্ষোভ

শেরপুরে বন্য হাতির তাণ্ডব, ক্ষুব্ধ দরিদ্র কৃষক বন বিভাগের উদাসীনতায় ক্ষোভ

Reporter Name

শেরপুরে বন্য হাতির তাণ্ডব, ক্ষুব্ধ দরিদ্র কৃষক বন বিভাগের উদাসীনতায় ক্ষোভ

পি কে এস দীপন, শেরপুর:
শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার সীমান্তবর্তী গারো পাহাড় সংলগ্ন এলাকায় দিন দিন বেড়েই চলেছে বন্য হাতির তাণ্ডব। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এলাকার ফসলি জমি, ফসল ও বসতবাড়ি। স্থানীয় কৃষকরা অভিযোগ করেছেন, হাতি ও মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনে বন বিভাগ কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
উপজেলার রানীশিমুল ইউনিয়নের ঝুলগাও, হাতিবর, সিংগীজানি, মালাকোচা ও সোনাঝুড়িসহ কয়েকটি গ্রামে বন্য হাতি ফসল নষ্ট ও বসতবাড়ি ভাঙছে। স্থানীয় কৃষক মোতালেব হোসেন বলেন, “সপ্তাহে তিনবার হাতির পাল আমাদের ধান খেয়ে ফেলেছে। বন বিভাগকে জানালেও কোনো কাজ হয়নি।”
অন্য একজন কৃষক আইজল মিয়া জানান, “আমরা নিজেরাই ড্রাম বাজিয়ে ও মশাল জ্বালিয়ে হাতি তাড়াই করি। বন বিভাগের লোক শুধু দূর থেকে দেখেন।” স্থানীয়রা আরও বলেন, বৈদ্যুতিক বাতি দিয়ে ক্ষয়ক্ষতি কমানো সম্ভব হলেও বন বিভাগ এটি নিষিদ্ধ করেছে।
মালাকোচা এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের সভাপতি জানান, আগে বন বিভাগ কেরোসিন দিয়ে সহায়তা করত, এবার কিছুই দেয়া হয়নি। স্থানীয় ইউপি সদস্য সেলিম মিয়া বলেন, “বছরের পর বছর ধরে সমস্যা চলছেই। বন বিভাগ শুধু আশ্বাস দেয়, কোনো স্থায়ী পদক্ষেপ নেয় না।”
বালিজুড়ি বিট কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম জানান, “হাতির চলাচল সীমান্তের ওপার থেকে। স্থানীয়দের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেই এবং ক্ষতির পরিমাণ যাচাই করে ক্ষতিপূরণের প্রস্তাব পাঠাই।”
স্থানীয়রা দাবি করেছেন, শুধুমাত্র পরামর্শে সমাধান হবে না। হাতি আক্রমণ রোধে স্থায়ী বেড়া, আলোকসজ্জা ও হাতি প্রতিরোধ কমিটি গঠনসহ কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানুষের বসতি ও কৃষিজমি ক্রমেই হাতির আবাসস্থলে ঢুকে পড়ায় দ্বন্দ্ব বাড়ছে।
শ্রীবরদীতে এই চলমান দ্বন্দ্বে শত শত পরিবার ক্ষতির সম্মুখীন হলেও বন বিভাগের উদাসীনতায় তাদের দুর্ভোগ দিন দিন বাড়ছে।



ফেসবুক কর্নার