April 23, 2026, 4:15 pm
শিরোনাম :
বাগমারায় ৭ মাসের শিশুকে নিয়ে নিখোঁজ গৃহবধূ, উৎকণ্ঠায় পরিবার শিবগঞ্জে টানা চুরির ঘটনায় আতঙ্ক, চার দিনে ১৩ বাড়িতে সিঁধ কাটা মান্দায় জমি বিরোধে সাত বিঘার বোরো ধান কেটে নেওয়ার অভিযোগ ব্যবসা নিয়ে সংঘর্ষ মামলায় এনায়েতনগর যুবদলের তিন নেতা জামিনে মুক্তির পথে সিংগাইরে নারীর মরদেহ উদ্ধার, রহস্য উদঘাটনে ময়নাতদন্তের অপেক্ষায় পুলিশ শেরপুরে জমি দখলের অভিযোগে উত্তেজনা, জোরপূর্বক ঘর নির্মাণের দাবি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে শিক্ষকম্পতিকে লাঞ্ছনার অভিযোগ কমলনগরে ‘খলিল বাহিনী’ আতঙ্ক: ধর্ষণচেষ্টা, চুরি-ডাকাতির অভিযোগে উত্তাল জনপদ দেড় মাস ধরে আদালত চত্বরে ময়লার স্তূপ, দুর্ভোগে বিচারপ্রার্থী ও ব্যবসায়ীরা নলডাঙ্গায় আগুনে কৃষকের ৮টি ছাগল পুড়ে ছাই, ক্ষতি প্রায় ২ লাখ টাকা

কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বেহাল দশা

মোস্তাফিজুর রহমান অ্যাপেল কোটচাঁদপুর ঝিনাইদা প্রতিনিধি

কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বেহাল দশা
মোস্তাফিজুর রহমান আপেল, কোটচাঁদপুর সংবাদদাতা:
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বেহাল দশা দুই বছর পরও নির্মিত নতুন ভবন চালু না হওয়ায় গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ২০২৩ সালে ২৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫০ শয্যার হাসপাতালটি ১০০ শয্যায় উন্নীত করে পাঁচ তলা নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়। বাস্তবে হাসপাতালের কার্যক্রম সীমিত এবং রোগী ও তাদের স্বজনদের ভোগান্তি আগের চেয়ে কয়েকগুণ বেড়েছে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগসহ সব ওয়ার্ডের চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন মাত্র ২ জন চিকিৎসক, যেখানে পদ রয়েছে ১৯। প্রায় প্রতিদিন বহির্বিভাগে ৭০০–৮০০ জন রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন এবং ৭০–৮০ জন ভর্তি থাকেন। হাসপাতালের বেহাল অবস্থা, ঔষধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব, অপরিষ্কার ও দুর্গন্ধপূর্ণ ওয়ার্ড, মশা-মাছির উপদ্রব এবং চোর আতঙ্ক রোগী ও স্বজনদের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ।
হাসপাতালের পরিচালনায় উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (সেকমো) প্রধান ভূমিকা পালন করছেন। তবে সেকমোদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, রোগীদের দূর্বল অবস্থার সুযোগ নিয়ে বাড়ি বা বিভিন্ন ক্লিনিকে পাঠিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের চেষ্টা করা হয়। হাসপাতালের শিশু ও অন্যান্য ওয়ার্ডে রোগীর চরম ভিড় এবং শয্যা সংকট দেখা যায়, অথচ ১০০ শয্যার নতুন ভবন পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। খাদ্যের মান ও বাথরুম ব্যবহারের অযোগ্যতার অভিযোগও রয়েছে।
কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আমানুল্লাহ আল মামুন জানান, বর্তমানে ১৯ জন মেডিকেল অফিসারের পদ থাকলেও কার্যক্রম চালাচ্ছেন মাত্র ৫ জন। নতুন ভবন চালু করতে প্রশাসনিক অনুমোদনের প্রয়োজন। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিস্থিতি দ্রুত সমাধান না হলে রোগীদের দুর্ভোগ আরও বৃদ্ধি পাবে।



ফেসবুক কর্নার