May 14, 2026, 12:53 pm
শিরোনাম :
শ্যামগঞ্জ বাজারে আমিনুল সরকারের বেকারিতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের ভয়াবহ চিত্র অতিরিক্ত সোডা ব্যবহার, নোংরা পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন—জনস্বাস্থ্যে মারাত্মক ঝুঁকির অভিযোগ ইপিজেডে রাস্তা দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে আতঙ্কে হকার-শ্রমিকরা গর্জনিয়ায় পুলিশের অভিযানে ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার ঝিকরগাছায় দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নৈশপ্রহরীর মৃত্যু যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যা: রাঙামাটিতে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কুড়িগ্রামে খাদে পড়ার উপক্রম স্কুলবাস, অল্পের জন্য রক্ষা পেল শিক্ষার্থীরা শিবচরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু অতিবর্ষণ ও জলাবদ্ধতায় স্থবির রৌমারী, ১৮৪ মিমি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন সরকারের উন্নয়ন বার্তা পৌঁছে দিতে গুইমারায় তথ্য অফিসের প্রেস ব্রিফিং ইবি থিয়েটারের নতুন নেতৃত্বে প্রণয় ও জ্যোতি

কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বেহাল দশা

মোস্তাফিজুর রহমান অ্যাপেল কোটচাঁদপুর ঝিনাইদা প্রতিনিধি

কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বেহাল দশা
মোস্তাফিজুর রহমান আপেল, কোটচাঁদপুর সংবাদদাতা:
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বেহাল দশা দুই বছর পরও নির্মিত নতুন ভবন চালু না হওয়ায় গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ২০২৩ সালে ২৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫০ শয্যার হাসপাতালটি ১০০ শয্যায় উন্নীত করে পাঁচ তলা নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়। বাস্তবে হাসপাতালের কার্যক্রম সীমিত এবং রোগী ও তাদের স্বজনদের ভোগান্তি আগের চেয়ে কয়েকগুণ বেড়েছে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগসহ সব ওয়ার্ডের চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন মাত্র ২ জন চিকিৎসক, যেখানে পদ রয়েছে ১৯। প্রায় প্রতিদিন বহির্বিভাগে ৭০০–৮০০ জন রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন এবং ৭০–৮০ জন ভর্তি থাকেন। হাসপাতালের বেহাল অবস্থা, ঔষধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব, অপরিষ্কার ও দুর্গন্ধপূর্ণ ওয়ার্ড, মশা-মাছির উপদ্রব এবং চোর আতঙ্ক রোগী ও স্বজনদের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ।
হাসপাতালের পরিচালনায় উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (সেকমো) প্রধান ভূমিকা পালন করছেন। তবে সেকমোদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, রোগীদের দূর্বল অবস্থার সুযোগ নিয়ে বাড়ি বা বিভিন্ন ক্লিনিকে পাঠিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের চেষ্টা করা হয়। হাসপাতালের শিশু ও অন্যান্য ওয়ার্ডে রোগীর চরম ভিড় এবং শয্যা সংকট দেখা যায়, অথচ ১০০ শয্যার নতুন ভবন পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। খাদ্যের মান ও বাথরুম ব্যবহারের অযোগ্যতার অভিযোগও রয়েছে।
কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আমানুল্লাহ আল মামুন জানান, বর্তমানে ১৯ জন মেডিকেল অফিসারের পদ থাকলেও কার্যক্রম চালাচ্ছেন মাত্র ৫ জন। নতুন ভবন চালু করতে প্রশাসনিক অনুমোদনের প্রয়োজন। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিস্থিতি দ্রুত সমাধান না হলে রোগীদের দুর্ভোগ আরও বৃদ্ধি পাবে।



ফেসবুক কর্নার