May 14, 2026, 12:53 pm
শিরোনাম :
শ্যামগঞ্জ বাজারে আমিনুল সরকারের বেকারিতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের ভয়াবহ চিত্র অতিরিক্ত সোডা ব্যবহার, নোংরা পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন—জনস্বাস্থ্যে মারাত্মক ঝুঁকির অভিযোগ ইপিজেডে রাস্তা দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে আতঙ্কে হকার-শ্রমিকরা গর্জনিয়ায় পুলিশের অভিযানে ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার ঝিকরগাছায় দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নৈশপ্রহরীর মৃত্যু যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যা: রাঙামাটিতে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কুড়িগ্রামে খাদে পড়ার উপক্রম স্কুলবাস, অল্পের জন্য রক্ষা পেল শিক্ষার্থীরা শিবচরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু অতিবর্ষণ ও জলাবদ্ধতায় স্থবির রৌমারী, ১৮৪ মিমি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন সরকারের উন্নয়ন বার্তা পৌঁছে দিতে গুইমারায় তথ্য অফিসের প্রেস ব্রিফিং ইবি থিয়েটারের নতুন নেতৃত্বে প্রণয় ও জ্যোতি

পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা উপস্থিতি: শান্তি ও সার্বভৌমত্বের ভারসাম্য

অসীম রয় বান্দরবান প্রতিনিধ

অসীম রায় (অশ্বিনী), বান্দরবান:
সাম্প্রতিক সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম আবারও জাতীয় আলোচনায় এসেছে সেনা প্রত্যাহারের দাবিকে ঘিরে। বিভিন্ন স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংগঠন “ডিমিলিটারাইজেশন” বা সেনা উপস্থিতি হ্রাসের দাবি তুললেও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, সেনাবাহিনীই পাহাড়ের শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রধান ভিত্তি।
১৯৯৭ সালের পার্বত্য শান্তিচুক্তির প্রায় তিন দশক পরও পাহাড়ে সশস্ত্র সংঘাত, চাঁদাবাজি ও বিদেশি প্রভাব শান্তি প্রক্রিয়ার বড় বাধা হয়ে আছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য বলছে, আগস্ট থেকে অক্টোবর ২০২৫ পর্যন্ত অন্তত ১২টি সংঘর্ষে কয়েকজন নিহত হয়েছেন, যার পেছনে বিদেশে পালিয়ে থাকা নেতাদের যোগাযোগের প্রমাণ মিলেছে। ফলে সেনা প্রত্যাহারের দাবি বাস্তবে এসব গোষ্ঠীর কার্যক্রমকে সহজ করার প্রচেষ্টা হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
পাহাড়ের দুর্গম অঞ্চলে সেনাবাহিনী শুধু নিরাপত্তা রক্ষা নয়, স্কুল, হাসপাতাল, সড়ক ও ব্রিজ নির্মাণসহ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। স্থানীয়দের ভাষায়, “সেনাবাহিনী এখন নিরাপত্তার প্রতীক, ভয় নয়।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, পার্বত্য চট্টগ্রাম একটি কৌশলগত অঞ্চল—মিয়ানমার সীমান্তসংলগ্ন এই এলাকায় সেনা উপস্থিতি হ্রাস মানে জাতীয় নিরাপত্তাকে ঝুঁকিতে ফেলা। তাই রাজনৈতিক বিতর্ক নয়, নিরাপত্তা বাস্তবতা বিবেচনায় রেখেই সেনাবাহিনীর ভূমিকা মূল্যায়ন করা জরুরি।



ফেসবুক কর্নার