May 14, 2026, 2:34 pm
শিরোনাম :
উপবন এক্সপ্রেসের টয়লেট থেকে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার শ্যামগঞ্জ বাজারে আমিনুল সরকারের বেকারিতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের ভয়াবহ চিত্র অতিরিক্ত সোডা ব্যবহার, নোংরা পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন—জনস্বাস্থ্যে মারাত্মক ঝুঁকির অভিযোগ ইপিজেডে রাস্তা দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে আতঙ্কে হকার-শ্রমিকরা গর্জনিয়ায় পুলিশের অভিযানে ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার ঝিকরগাছায় দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নৈশপ্রহরীর মৃত্যু যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যা: রাঙামাটিতে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কুড়িগ্রামে খাদে পড়ার উপক্রম স্কুলবাস, অল্পের জন্য রক্ষা পেল শিক্ষার্থীরা শিবচরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু অতিবর্ষণ ও জলাবদ্ধতায় স্থবির রৌমারী, ১৮৪ মিমি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন সরকারের উন্নয়ন বার্তা পৌঁছে দিতে গুইমারায় তথ্য অফিসের প্রেস ব্রিফিং

ঝিকরগাছা হাসপাতালে নার্সদের দায়িত্ব অবহেলা অভিযোগ

Reporter Name

স্টাফ রিপোর্টার : যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্বরত দুই নার্সের বিরুদ্ধে রোগীর চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় দায়িত্ব অবহেলা ও স্বজনের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত দুই নার্স হলেন জাহানারা খাতুন ও নাজনীন আক্তার।
জানা যায়, সদর ইউনিয়নের পদ্মপুকুর গ্রামের মৃত আব্দুল মোমিনের স্ত্রী মোছাঃ ফাতেমা বেগম শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) বিকাল ৫টার দিকে হাসপাতাল ভর্তি হন। কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে কিছু প্যাথলজিকাল টেস্টের নির্দেশ দেন। হাসপাতালের প্যাথলজি বন্ধ থাকায় রোগীর স্বজনরা বাইরে থেকে টেস্ট করানোর জন্য দায়িত্বরত নার্স নাজনীন আক্তারকে রক্ত টানের জন্য অনুরোধ করেন। দেড় ঘন্টা ধরে অনুরোধ করলেও নার্স রক্ত টানেননি। পরে রোগীর কন্যা সাংবাদিক আশরাফুজ্জামান বাবুকে ফোন করেন।
সাংবাদিক জানান, ফোনে নার্স জাহানারা খাতুন অত্যন্ত উদ্ধ্যত্বপূর্ণ আচরণ করেন এবং বলেন, “আমি উনাকে চিনিনি, উনার সঙ্গে কিসের জন্য কথা বলবো?” রোগীর স্বজনরা শত অনুরোধ করেও তার সঙ্গে কথা বলতে পারেননি এবং রক্তও টানানো হয়নি।
আশরাফুজ্জামান বাবু বলেন, “একজন সেবাদাত্রী নার্সের এমন আচরণ ভীষণ হতাশাজনক। সাধারণ রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে এর চেয়েও বেশি দুর্ব্যবহার ঘটে। এতে চিকিৎসা সেবার মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং জনগণের আস্থা নষ্ট হচ্ছে। অভিযুক্ত নার্সদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছি।”
ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার আব্দুর রশিদ বলেন, “দায়িত্বে এমন আচরণ কাম্য নয়। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” যশোর জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার মাসুদ রানাকে ঘটনা অবহিত করলে তিনি জানান, “আমি যশোরে থাকায় সরাসরি ব্যবস্থা নেবো না, তবে ইমারজেন্সিতে যোগাযোগ করা যেতে পারে।”
এ ঘটনায় হাসপাতাল প্রশাসন তদন্ত শুরু করেছে এবং ভবিষ্যতে রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে ভদ্র ও সহযোগিতামূলক আচরণ নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হবে।



ফেসবুক কর্নার