April 23, 2026, 10:16 pm
শিরোনাম :
ধামইরহাটে পুলিশের অভিযানে ৬৫০০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার ও ধ্বংস কালিগঞ্জের ডিআরএম কলেজের অধ্যক্ষ আবুল বাশার বরখাস্ত শান্তিগঞ্জে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উদ্বোধন, সপ্তাহজুড়ে সচেতনতা কর্মসূচি তীব্র গরমে অভিভাবকদের পাশে দাঁড়ালেন ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহীন মাহমুদ ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নে এগিয়ে চলা তাপস্বীর পাশে জেলা পরিষদ বাগমারায় ৭ মাসের শিশুকে নিয়ে নিখোঁজ গৃহবধূ, উৎকণ্ঠায় পরিবার শিবগঞ্জে টানা চুরির ঘটনায় আতঙ্ক, চার দিনে ১৩ বাড়িতে সিঁধ কাটা মান্দায় জমি বিরোধে সাত বিঘার বোরো ধান কেটে নেওয়ার অভিযোগ ব্যবসা নিয়ে সংঘর্ষ মামলায় এনায়েতনগর যুবদলের তিন নেতা জামিনে মুক্তির পথে সিংগাইরে নারীর মরদেহ উদ্ধার, রহস্য উদঘাটনে ময়নাতদন্তের অপেক্ষায় পুলিশ

ঝিকরগাছা হাসপাতালে নার্সদের দায়িত্ব অবহেলা অভিযোগ

Reporter Name

স্টাফ রিপোর্টার : যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্বরত দুই নার্সের বিরুদ্ধে রোগীর চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় দায়িত্ব অবহেলা ও স্বজনের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত দুই নার্স হলেন জাহানারা খাতুন ও নাজনীন আক্তার।
জানা যায়, সদর ইউনিয়নের পদ্মপুকুর গ্রামের মৃত আব্দুল মোমিনের স্ত্রী মোছাঃ ফাতেমা বেগম শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) বিকাল ৫টার দিকে হাসপাতাল ভর্তি হন। কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে কিছু প্যাথলজিকাল টেস্টের নির্দেশ দেন। হাসপাতালের প্যাথলজি বন্ধ থাকায় রোগীর স্বজনরা বাইরে থেকে টেস্ট করানোর জন্য দায়িত্বরত নার্স নাজনীন আক্তারকে রক্ত টানের জন্য অনুরোধ করেন। দেড় ঘন্টা ধরে অনুরোধ করলেও নার্স রক্ত টানেননি। পরে রোগীর কন্যা সাংবাদিক আশরাফুজ্জামান বাবুকে ফোন করেন।
সাংবাদিক জানান, ফোনে নার্স জাহানারা খাতুন অত্যন্ত উদ্ধ্যত্বপূর্ণ আচরণ করেন এবং বলেন, “আমি উনাকে চিনিনি, উনার সঙ্গে কিসের জন্য কথা বলবো?” রোগীর স্বজনরা শত অনুরোধ করেও তার সঙ্গে কথা বলতে পারেননি এবং রক্তও টানানো হয়নি।
আশরাফুজ্জামান বাবু বলেন, “একজন সেবাদাত্রী নার্সের এমন আচরণ ভীষণ হতাশাজনক। সাধারণ রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে এর চেয়েও বেশি দুর্ব্যবহার ঘটে। এতে চিকিৎসা সেবার মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং জনগণের আস্থা নষ্ট হচ্ছে। অভিযুক্ত নার্সদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছি।”
ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার আব্দুর রশিদ বলেন, “দায়িত্বে এমন আচরণ কাম্য নয়। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” যশোর জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার মাসুদ রানাকে ঘটনা অবহিত করলে তিনি জানান, “আমি যশোরে থাকায় সরাসরি ব্যবস্থা নেবো না, তবে ইমারজেন্সিতে যোগাযোগ করা যেতে পারে।”
এ ঘটনায় হাসপাতাল প্রশাসন তদন্ত শুরু করেছে এবং ভবিষ্যতে রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে ভদ্র ও সহযোগিতামূলক আচরণ নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হবে।



ফেসবুক কর্নার