July 18, 2026, 12:22 am
শিরোনাম :
কাপ্তাই লেকে পানির উচ্চতা বাড়ছে, ১৬টি স্পিলওয়ে গেট খোলার প্রস্তুতি আগে এত উন্নয়নের গল্প শুনতাম, সেগুলো আসলে কোথায়–প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর হাকিমপুরে এনসিপির ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা-২০২৬’ উপলক্ষে পথসভা মহেশপুরে গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার নওয়াপাড়ায় ভৈরব নদে গোসল করতে নেমে গৃহবধূ নিখোঁজ, উদ্ধার অভিযান চলছে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে স্বর্ণালংকার লুটের পর হত্যা, নারী গ্রেপ্তার দোহাজারীতে ত্রাণ বিতরণে মঞ্চ ধস, পরে হুড়োহুড়িতে আহত ১০ দেশে গাড়ি উৎপাদন শুরু হলেই কি দাম কমবে? বাস্তবতা যা বলছে হাজারীবাগে জুতার কারখানায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে অনলাইন জুয়ার এজেন্ট গ্রেপ্তার, নগদ অর্থ ও সরঞ্জাম জব্দ

রাঙামাটিতে বিজিবির বিশেষ অভিযানে প্রায় ৯ লাখ টাকার অবৈধ সেগুন কাঠ জব্দ

অভয়নগর প্রতিবেদক

 

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় অবৈধ বনজ সম্পদ পাচার রোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) আরও এক সফল অভিযান পরিচালনা করেছে। মারিশ্যা জোন (২৭ বিজিবি)-এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সেগুন কাঠ জব্দ করা হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় নয় লাখ টাকা।
বিজিবি সূত্র জানায়, গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি) মারিশ্যা জোন (২৭ বিজিবি)-এর অধিনায়কের নির্দেশক্রমে সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান, বিজিবিএমএস-এর নেতৃত্বে একটি সুসংগঠিত টহল দল বাঘাইছড়ি উপজেলার মডেল টাউন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল পার্বত্য এলাকায় অবৈধভাবে কাটা বনজ সম্পদ সংগ্রহ ও পাচার কার্যক্রম প্রতিহত করা।
অভিযান চলাকালে বিজিবি টহল দলের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে সেগুন কাঠের গাছের গুড়ি ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে পাহাড়ি বনাঞ্চলের ভেতর দিয়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে টহল দল ঘটনাস্থল তল্লাশি করে পরিত্যক্ত অবস্থায় মোট ৩৫৬.৭৭ ঘনফুট অবৈধ সেগুন কাঠ উদ্ধার ও জব্দ করতে সক্ষম হয়। উদ্ধারকৃত সেগুন কাঠের আনুমানিক সিজার মূল্য ৮ লাখ ৯১ হাজার ৯২৫ টাকা বলে বিজিবি নিশ্চিত করেছে।
বিজিবি সূত্র আরও জানায়, জব্দকৃত কাঠগুলো স্থানীয়ভাবে কাটা এবং পরবর্তীতে অন্যত্র পাচারের উদ্দেশ্যে মজুদ করা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। অভিযানের সময় কাউকে আটক করা সম্ভব না হলেও এ ঘটনায় জড়িত চোরাকারবারীদের শনাক্তে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মারিশ্যা জোন (২৭ বিজিবি)-এর জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, পিএসসি বলেন,
“মারিশ্যা জোনের আওতাধীন সীমান্ত ও পার্বত্য এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিতভাবে গোয়েন্দা নজরদারি, টহল ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে চোরাকারবারীরা বিভিন্ন অভিনব পদ্ধতিতে বনজ সম্পদ ও অন্যান্য পণ্যের চোরাচালান বাড়ানোর চেষ্টা করছে।”
তিনি আরও বলেন,
“চোরাচালান দমন কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে আমরা গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ জোরদার করেছি এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে নিয়মিত আভিযানিক টহল অব্যাহত রয়েছে।”
জোন কমান্ডার আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ভবিষ্যতেও সীমান্ত ও পার্বত্য অঞ্চলে অবৈধ কাঠ পাচারসহ সকল ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল বিজিবির এ ধরনের নিয়মিত অভিযানকে বন ও পরিবেশ সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা হিসেবে দেখছেন এবং অবৈধ কাঠ পাচার বন্ধে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

 



ফেসবুক কর্নার