
ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দালালি ও প্রতারণার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় একসঙ্গে চারজন ব্যক্তি কার্যালয়ে উপস্থিত হন। তাদের মধ্যে ঝিনাইদহের লিটু, নাটোর জেলার বুলবুল (পিতা: নজরুল ইসলাম) ও মতিয়ার (পিতা: আব্দুর রশিদ)–কে মুচলেকা নিয়ে সাধারণ ক্ষমা প্রদর্শন করে ছেড়ে দেওয়া হয়।
অপরদিকে নিজাম উদ্দিন কিং (পিতা: মৃত খাইরুজ্জামান)–কে আটক করা হয়। তিনি স্থায়ীভাবে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে ঢাকার ধানমন্ডি ৮ নম্বর এলাকায় বসবাস করেন বলে জানা গেছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কালীগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর ইউনিয়নের ফরাসপুর গ্রামের বাসিন্দা মমিনুর রহমানের জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত বিষয়ে দালালি করার উদ্দেশ্যে নিজাম উদ্দিন কিং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত হন। জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাসউদের সঙ্গে আলাপ আলোচনার একপর্যায়ে তার কথাবার্তায় সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি অসংলগ্ন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান করলে প্রতারণার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।
তাৎক্ষণিকভাবে তাকে আটক করে দণ্ডবিধি ১৮৬০ অনুযায়ী দালালির অভিযোগে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। মোবাইল কোর্টে তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এ রায় প্রদান করেন।