June 3, 2026, 11:06 pm
শিরোনাম :
ট্রাক্টরের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধর , চালক আটক টাঙ্গাইলে মাদকসহ গ্রামবাসীর হাতে আটক কুখ্যাত মাদক কারবারি ছবুর মহাসড়ক যখন ধান শুকানোর চাতাল: রৌমারীতে বাড়ছে মৃত্যুফাঁদের ঝুঁকি কটিয়াদীতে এ.কে বাশার রতন হত্যা মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে ফের হামলার অভিযোগ, দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জবি রোভার স্কাউট গ্রুপের আয়োজনে ৫৩৫তম স্কাউট ইউনিট লিডার বেসিক কোর্সের উদ্বোধন বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবসে ঝিনাইদহে র‌্যালি ও সচেতনতামূলক আলোচনা ভোররাতের আগুনে পুড়ল হোটেল ও তেলের দোকান, ক্ষতি প্রায় ৫০ লাখ টাকা দুস্থদের মাঝে ১০ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা বিতরণ মায়ের কঙ্কালসার দেহ আর সফল সন্তানদের বিবেক: এক নির্মম সামাজিক বাস্তবতা নওগাঁয় মাদক ব্যবসার অভিযোগে ক্ষোভ, অভিযুক্ত নারীকে ঘিরে প্রশ্ন

১০ কাঠা জমিতে ৯২ মন হলুদ উৎপাদন: পুঠিয়ায় দৃষ্টান্ত গড়লেন মিজানুর

জাহাঙ্গীর আলম রাজশাহী

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় দেশের হলুদের চাহিদা পূরণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন গন্ডগোহালী গ্রামের কৃষক মো. মিজানুর রহমান (মিজান)। মাত্র ১০ কাঠা জমিতে তিনি উৎপাদন করেছেন প্রায় ৯২ মন হলুদ, যা স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। এমন ফলন দেখে আশপাশের অনেক কৃষকই নতুন করে হলুদ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, হলুদ তোলার সময় প্রতিটি গাছের ছরিতে দেড় থেকে দুই কেজি পর্যন্ত হলুদ পাওয়া যাচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী মাসুদ রানা জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় হলুদ কিনলেও এমন ফলনশীল হলুদ আগে কখনো দেখেননি। তাঁর ভাষায়, “এই ১০ কাঠা জমি থেকে আমি নিজে ৮০ মন হলুদ ওজন দিয়ে নিয়েছি। পাবনায়া জাতের হলুদ এত ফলনশীল হতে পারে—এই অভিজ্ঞতা আমার ব্যবসায়ী জীবনে এই প্রথম।”
হলুদ চাষী মিজানুর রহমান বলেন, তিনি পাবনায়া জাতের হলুদ চাষ করেছেন এবং ১০ কাঠা জমিতে বিক্রিযোগ্য পেয়েছেন ৮০ মন। নিজের জমিতে পরবর্তী মৌসুমের জন্য বীজ হিসেবে তিনি বাড়িতে নিয়ে গেছেন আরও প্রায় ১২ মন হলুদ। সব মিলিয়ে মোট উৎপাদন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯২ মন। তিনি জানান, এই চাষে তাঁর মোট খরচ হয়েছে ২২ হাজার ৫০০ টাকা। বর্তমানে প্রতি মন ১ হাজার ৬০০ টাকা দরে বিক্রি করছেন, ফলে উল্লেখযোগ্য লাভের মুখ দেখছেন তিনি।
নতুন চাষিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “বীজ কেনার সময় যদি বাজারদরের চেয়ে ৫০০ টাকা বেশি লাগেও, ভালো মানের বীজ সংগ্রহ করা উচিত। ভালো বীজ নিলে ইনশাআল্লাহ এমন ফলন পাওয়া সম্ভব এবং হলুদ চাষে লাভবান হওয়া যাবে।”
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা স্মৃতি রানী সরকার বলেন, কৃষকদের পাশে উপজেলা কৃষি অফিস সব সময় রয়েছে। তিনি জানান, উঁচু জমি, আমবাগান ও পরিত্যক্ত জমি হলুদ চাষের জন্য উপযোগী। সঠিক পদ্ধতিতে চাষ করা গেলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে ভবিষ্যতে বিদেশেও হলুদ রপ্তানি করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।



ফেসবুক কর্নার