June 24, 2026, 2:27 am
শিরোনাম :
হ্যাটট্রিকের আশায় রোনালদো, বড় লিড নিয়ে বিরতিতে পর্তুগাল আ. লীগের পরিকল্পনা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নস্যাৎ করে দিয়েছে : ডিএমপি কমিশনার একযোগে ১৬ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র নোয়াখালীতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন: ৫ লাখ ৭৬ হাজার শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর প্রস্তুতি মৃত্যুই আমাদের সবার শেষ গন্তব্য: পিয়া জান্নাতুল জুয়া প্রতিরোধে সংসদে বিল, সর্বোচ্চ সাজা ৭ বছরের কারাদণ্ড জলবায়ু অর্থায়ন ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আরও সহজলভ্য করার আহ্বান জনসচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া দুর্নীতি নির্মূল সম্ভব নয় পঞ্চগড়ে মাতৃত্বকালীন ভাতায় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ যোগ্যরা বঞ্চিত, সুবিধা পাচ্ছেন অযোগ্যরা; তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের অপপ্রচার ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানিকগঞ্জজুড়ে বিএনপির বিক্ষোভ

১০ কাঠা জমিতে ৯২ মন হলুদ উৎপাদন: পুঠিয়ায় দৃষ্টান্ত গড়লেন মিজানুর

জাহাঙ্গীর আলম রাজশাহী

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় দেশের হলুদের চাহিদা পূরণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন গন্ডগোহালী গ্রামের কৃষক মো. মিজানুর রহমান (মিজান)। মাত্র ১০ কাঠা জমিতে তিনি উৎপাদন করেছেন প্রায় ৯২ মন হলুদ, যা স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। এমন ফলন দেখে আশপাশের অনেক কৃষকই নতুন করে হলুদ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, হলুদ তোলার সময় প্রতিটি গাছের ছরিতে দেড় থেকে দুই কেজি পর্যন্ত হলুদ পাওয়া যাচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী মাসুদ রানা জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় হলুদ কিনলেও এমন ফলনশীল হলুদ আগে কখনো দেখেননি। তাঁর ভাষায়, “এই ১০ কাঠা জমি থেকে আমি নিজে ৮০ মন হলুদ ওজন দিয়ে নিয়েছি। পাবনায়া জাতের হলুদ এত ফলনশীল হতে পারে—এই অভিজ্ঞতা আমার ব্যবসায়ী জীবনে এই প্রথম।”
হলুদ চাষী মিজানুর রহমান বলেন, তিনি পাবনায়া জাতের হলুদ চাষ করেছেন এবং ১০ কাঠা জমিতে বিক্রিযোগ্য পেয়েছেন ৮০ মন। নিজের জমিতে পরবর্তী মৌসুমের জন্য বীজ হিসেবে তিনি বাড়িতে নিয়ে গেছেন আরও প্রায় ১২ মন হলুদ। সব মিলিয়ে মোট উৎপাদন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯২ মন। তিনি জানান, এই চাষে তাঁর মোট খরচ হয়েছে ২২ হাজার ৫০০ টাকা। বর্তমানে প্রতি মন ১ হাজার ৬০০ টাকা দরে বিক্রি করছেন, ফলে উল্লেখযোগ্য লাভের মুখ দেখছেন তিনি।
নতুন চাষিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “বীজ কেনার সময় যদি বাজারদরের চেয়ে ৫০০ টাকা বেশি লাগেও, ভালো মানের বীজ সংগ্রহ করা উচিত। ভালো বীজ নিলে ইনশাআল্লাহ এমন ফলন পাওয়া সম্ভব এবং হলুদ চাষে লাভবান হওয়া যাবে।”
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা স্মৃতি রানী সরকার বলেন, কৃষকদের পাশে উপজেলা কৃষি অফিস সব সময় রয়েছে। তিনি জানান, উঁচু জমি, আমবাগান ও পরিত্যক্ত জমি হলুদ চাষের জন্য উপযোগী। সঠিক পদ্ধতিতে চাষ করা গেলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে ভবিষ্যতে বিদেশেও হলুদ রপ্তানি করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।



ফেসবুক কর্নার