পুলিশি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে তার অপরাধের খতিয়ান বিশ্লেষণ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পুলিশের সেন্ট্রাল ডাটাবেজ বা সিডিএমএস (CDMS) পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, গ্রেফতারকৃত আল আমিন কোনো সাধারণ মাদক বিক্রেতা নয়, বরং সে এলাকার একজন চিহ্নিত অপরাধী। তার বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন সময়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আরও চারটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। বারবার আইনি প্রক্রিয়ার সম্মুখীন হলেও জামিনে মুক্তি পেয়ে সে পুনরায় মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ত বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
এই মাদক উদ্ধারের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সুনির্দিষ্ট ধারায় নতুন করে আরও একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মাদকের উৎস এবং এই কারবারের সাথে আর কারা জড়িত আছে সে বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। সমাজ থেকে মাদক নির্মূলের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে পুলিশ কর্মকর্তারা জানান যে, মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের কঠোর অভিযান আগামীতেও চলমান থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামিকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করার প্রস্তুতি চলছে