April 24, 2026, 2:02 pm
শিরোনাম :
আধুনিকতার পিঠে মধ্যযুগ: রৌমারীতে জ্বালানি সংকটে ফিরছে ‘ঢেঁকি কল’ নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা রুটে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডিভাইডারে উঠে আহত বহু যাত্রী আইডি যাচাইয়ে ন্যায্যমূল্যে ডিজেল পেয়ে স্বস্তিতে চুয়াডাঙ্গর কৃষকরা উত্তরায় রেস্টুরেন্ট ও বারে পুলিশের অভিযান, নারী-পুরুষসহ ১৪০ জন আটক কর্ণফুলী টানেলে রাতের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ: ছয় দিনের বিশেষ ব্যবস্থাপনা সুনামগঞ্জে হাওরে কৃষকের পাশে স্বেচ্ছাশ্রমে ধান কাটলেন স্বেচ্ছাসেবীরা যান্ত্রিক ত্রুটিতে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন বন্ধ শিবচরে সিএসএস-এর ফ্রি চিকিৎসা সেবা, উপকৃত শতাধিক অসহায় মানুষ রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও নীতিমালার কড়াকড়ি: চাপে বাংলাদেশের অর্থনীতি সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬: একটি যুগান্তকারী রক্ষাকবচ

নারীর মর্যাদা নিশ্চিতের অঙ্গীকার জামায়াত আমিরের

অভয়নগর প্রতিবেদক

ঝিনাইদহে আয়োজিত বিশাল নির্বাচনী জনসভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, নারীদের মর্যাদা নিশ্চিত করে একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। সোমবার সন্ধ্যায় ওয়াজির আলী হাইস্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত ১১ দলীয় জোটের সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, নারীদের প্রতি কেউ কুদৃষ্টিতে তাকালে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নারীদের ত্যাগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মায়েদের ঋণ কখনো শোধ করা সম্ভব নয়, আর যারা নারীদের অসম্মান করবে তাদের সমাজে স্থান হবে না।
বক্তব্যে তিনি বিগত আন্দোলনে নিহত ও নিখোঁজ পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। তিনি বলেন, যারা অপশাসনের বিরুদ্ধে কথা বলায় প্রাণ হারিয়েছেন, আমি তাদের হয়ে কথা বলতে এসেছি। চাঁদাবাজি, গুম ও হত্যার অভিযোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসন যেন আর ফিরে না আসে, সে বিষয়ে জনগণকে সচেতন থাকতে হবে। আন্দোলনে নিহতদের রক্তের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি আগামীর বাংলাদেশকে ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, প্রতিটি জেলায় মেডিকেল কলেজ স্থাপন, মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে। বেকার সমস্যা সমাধানে প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করা হবে। সমাবেশ শেষে তিনি জেলার চার আসনের জামায়াত জোট প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন। ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের আয়োজনে সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা আমির মাওলানা আলী আজম মো. আবু বকরসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।



ফেসবুক কর্নার