March 8, 2026, 11:07 am

উন্নয়নের আলোয় আড়ালে শীতার্ত মানুষের দীর্ঘশ্বাস মঙ্গল আহমেদ রুবেল

অভয়নগর প্রতিবেদক

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে খোলা আকাশের নিচে হাজার হাজার মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছে। ফুটপাত, রেলস্টেশন, বাসস্ট্যান্ড কিংবা ফ্লাইওভারের নিচে—কনকনে শীতে রাত কাটানো অসহায় মানুষদের কষ্ট যেন অনন্ত। শীতবস্ত্রের অভাবে শিশু, বৃদ্ধ ও ছিন্নমূল মানুষ প্রতিটি রাত পার করছে অনিশ্চয়তা ও দুর্ভোগের মধ্যে। রাজধানীতেও এমন চিত্র স্পষ্ট হলেও কার্যকর আশ্রয়কেন্দ্র ও পর্যাপ্ত সহায়তার দৃশ্য খুবই সীমিত।
প্রশ্ন উঠছে, নাগরিকের করের টাকায় পরিচালিত রাষ্ট্র তাদের মৌলিক মানবিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখছে। উন্নয়ন ও বিভিন্ন আয়োজনের পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয়ের চিত্র সামনে এলেও শীতার্ত ও গৃহহীন মানুষের জন্য স্থায়ী আবাসন কিংবা পর্যাপ্ত সহায়তার উদ্যোগ তুলনামূলকভাবে অপ্রতুল বলেই মনে করছেন সচেতন মহল। উন্নয়ন কি কেবল অবকাঠামো, উৎসব ও আড়ম্বরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে—নাকি তা নাগরিকের মৌলিক নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়েই পরিপূর্ণতা পাবে—এ প্রশ্ন এখন আলোচনায়।
ইসলামী মূল্যবোধ ও ন্যায়বিচারের দৃষ্টিকোণ থেকেও শাসক ও রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। পবিত্র কুরআনের সূরা নিসা (৫৮)-এ ন্যায়পরায়ণতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ও জনগণের করের অর্থ একটি আমানত—এমন উপলব্ধি থেকে দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো কেবল নৈতিক দায়িত্বই নয়, বরং মানবিক ও সাংবিধানিক কর্তব্য বলেও মনে করেন



ফেসবুক কর্নার