March 11, 2026, 7:43 pm
শিরোনাম :
পাবনায় টিআর প্রকল্পে ৩ লাখ টাকার রাস্তাই নেই, অনিয়মের অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ইরানে হামলা করার মতো ‘আর কিছুই নেই’, যুদ্ধ শেষ শিগগিরই পুরো অঞ্চল পোড়ার আগেই ইরান যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে: এরদোয়ান দোয়ারাবাজারে নিখোঁজ রাজিবের ১৮ মাস পর পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলন ভারত থেকে পাইপলাইনে ৫ হাজার টন ডিজেল পৌঁছালো পার্বতীপুরে বাংলাদেশ চায় ভোট, সমরাস্ত্র বিক্রিতে জোর দিতে পারে তুরস্ক খাগড়াছড়িতে ঋণের হতাশায় ব্যবসায়ী যুবকের আত্মহত্যা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কৃষি জমি ও ডোবা ভরাটে ৪ ড্রেজার ও ২ হাজার ফুট পাইপ বিনষ্ট, জরিমানা ৪০ হাজার নন্দীগ্রামে ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করা সুলতানের পাশে ইউএনও শারমিন আরা চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে হেরোইনসহ মাদক কারবারি আটক

পাবনায় টিআর প্রকল্পে ৩ লাখ টাকার রাস্তাই নেই, অনিয়মের অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

অভয়নগর প্রতিবেদক

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় টিআর (নগদ অর্থ) প্রকল্পে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। কাগজে-কলমে রাস্তা নির্মাণ দেখানো হলেও বাস্তবে রাস্তায় কোনো কাজের চিহ্ন নেই। অভিযোগ উঠেছে খানমরিচ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন খান মিঠুর বিরুদ্ধে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরের তৃতীয় পর্যায়ে ভাঙ্গুড়া উপজেলায় ২০টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে খানমরিচ ইউনিয়নের কোঠবাড়িয়া এলাকায় ৩ লাখ টাকার রাস্তা নির্মাণ প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত ছিল। নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়া সত্ত্বেও সরেজমিনে দেখা গেছে, ওই রাস্তায় কোনো নির্মাণকাজ হয়নি।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, রাস্তার অবস্থা দীর্ঘদিন ধরে নাজুক। সামান্য বৃষ্টিতেই কাদা জমে চলাচল দুর্ভোগজনক হয়ে পড়ে। প্রকল্পের টাকা উত্তোলন করা হয়েছে, কিন্তু কাজের কোনো বাস্তবতা নেই। আরও অভিযোগ, ইউপি সদস্য ছাইদা খাতুনকে নামমাত্র প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) সভাপতি দেখানো হয়েছে।
চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন খান মিঠু বলেন, “৩ লাখ টাকার মধ্যে দেড় লাখ টাকা উত্তোলন করেছি। মাটি না পাওয়ায় রাস্তার কাজ করা যায়নি। মাটি পাওয়া গেলে কাজ করে দেওয়া হবে।” তবে কাজের নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়া সত্ত্বেও টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়নি।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ফেরদৌস হোসেন জানান, প্রকল্পের অর্ধেক টাকা দেওয়া হয়েছে। কাজ সম্পন্ন হলে বাকি টাকা দেওয়ার কথা। বর্তমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপস পাল বিষয়টি প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
স্থানীয়রা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, খানমরিচ ইউনিয়নে ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরে বিভিন্ন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।



ফেসবুক কর্নার