
বটিয়াঘাটা উপজেলা প্রতিনিধি:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে খুলনা-১ (দাকোপ–বটিয়াঘাটা) আসনে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তাপ সৃষ্টি হয়েছে। এ আসনে জামায়াতে ইসলামের মনোনয়ন পেয়েছেন কৃষ্ণ নন্দী। শুক্রবার বিকেল তিনটায় তিনি বটিয়াঘাটা উপজেলা অফিসে থানা জামায়াত নেতৃবৃন্দের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও পরিচিতি বিনিময় করেন।
সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামের খুলনা জেলা আমির মাওলানা ইমরান হোসাইন। উপস্থিত ছিলেন জেলা সেক্রেটারি মুন্সী মিজানুর রহমান, খুলনা-১ আসন পরিচালক মাওলানা আবু ইউসুফ, সদস্য সচিব মাওলানা হুমায়ুন কবির, সহকারী সদস্য সচিব আল আমিন গোলদার, দাকোপ থানা আমির মাওলানা মুক্তার হুসাইন, হরিণটানা থানা আমির আব্দুল গফুর, নায়েবে আমির মাওলানা আশরাফ আলী, সেক্রেটারি আব্দুল হাই বিশ্বাসসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে কৃষ্ণ নন্দী আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার–প্রচারণার সূচনা করেন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে তিনি দলীয় নেতা–কর্মী ও সহযোগী সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে মাঠে নামছেন। হিন্দু অধ্যুষিত এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বহু পক্ষের মধ্যে। বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন আমির এজাজ খান। ফলে এজাজ খান এবং কৃষ্ণ নন্দীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ঘিরে এলাকায় তৈরি হয়েছে নতুন সমীকরণ।
এর আগে এই আসনে জামায়াত মাওলানা আবু ইউসুফকে মনোনয়ন দিলেও পরে দলীয় সিদ্ধান্তে পরিবর্তন এনে কৃষ্ণ নন্দীকে চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করা হয়। মনোনয়ন পরিবর্তনকে ঘিরে এলাকায় কিছু গুঞ্জন থাকলেও শেষ পর্যন্ত দলটির সাংগঠনিক কৌশল ও নীতি বিবেচনায় সিদ্ধান্তটি বহাল থাকে।
বর্তমানে খুলনা-১ আসন রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে। সক্রিয় কর্মী–সমর্থক, প্রচারণার প্রস্তুতি ও মাঠের রাজনৈতিক সমীকরণই নির্ধারণ করবে বিজয়ের পাল্লা কার দিকে ঝুঁকবে। সাক্ষাৎ শেষে কৃষ্ণ নন্দী বলেন, “আমি হিন্দু–মুসলিম ভেদাভেদ ভুলে সকলের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একটি সম্প্রীতির বটিয়াঘাটা গড়তে চাই।”