June 24, 2026, 4:14 am
শিরোনাম :
হ্যাটট্রিকের আশায় রোনালদো, বড় লিড নিয়ে বিরতিতে পর্তুগাল আ. লীগের পরিকল্পনা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নস্যাৎ করে দিয়েছে : ডিএমপি কমিশনার একযোগে ১৬ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র নোয়াখালীতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন: ৫ লাখ ৭৬ হাজার শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর প্রস্তুতি মৃত্যুই আমাদের সবার শেষ গন্তব্য: পিয়া জান্নাতুল জুয়া প্রতিরোধে সংসদে বিল, সর্বোচ্চ সাজা ৭ বছরের কারাদণ্ড জলবায়ু অর্থায়ন ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আরও সহজলভ্য করার আহ্বান জনসচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া দুর্নীতি নির্মূল সম্ভব নয় পঞ্চগড়ে মাতৃত্বকালীন ভাতায় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ যোগ্যরা বঞ্চিত, সুবিধা পাচ্ছেন অযোগ্যরা; তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের অপপ্রচার ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানিকগঞ্জজুড়ে বিএনপির বিক্ষোভ

মাঝরাতে ছদ্মবেশে নারী পুলিশ কমিশনার, ৩ ঘণ্টায় ৪০ জনের কুপ্রস্তাব

অভয়নগর প্রতিবেদক

নারীদের নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যের মালকাজগিরির নবনিযুক্ত পুলিশ কমিশনার বি. সুমতি। সাধারণ নারীর ছদ্মবেশে গভীর রাতে শহরের রাস্তায় অবস্থান করে তিনি নারীদের বাস্তব পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করেন। আর মাত্র তিন ঘণ্টার এই অভিযানে তিনি পড়েন একের পর এক হয়রানির মুখে।
জানা গেছে, দায়িত্ব গ্রহণের পর সম্প্রতি এক রাতে কোনো পুলিশি নিরাপত্তা ছাড়াই সাধারণ পোশাকে রাত ১২টা ৩০ মিনিট থেকে ভোর ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত দিলসুখনগর এলাকার একটি বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান করেন কমিশনার সুমতি।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওই সময়ের মধ্যে প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ জন ব্যক্তি তার সঙ্গে আপত্তিকর আচরণ করে এবং কুপ্রস্তাব দেয়। অভিযুক্তদের মধ্যে কিছু ব্যক্তি মাদকাসক্ত ছিল বলেও ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া কয়েকজন কলেজ শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবীও ছিল।
কমিশনারের পূর্বনির্ধারিত সংকেত পাওয়ার পর আশপাশে অবস্থানরত সাদা পোশাকের পুলিশ সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে সংশ্লিষ্টদের আটক করে। তবে তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কঠোর ব্যবস্থা না নিয়ে থানায় নিয়ে কাউন্সেলিং করা হয়। পরে অভিভাবকদের ডেকে নারীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও আইনগত সচেতনতা বিষয়ে সতর্ক করা হয়।
পুলিশ কমিশনার বি. সুমতি জানান, এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল নারীরা বাস্তবে কী ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হন তা বোঝা। কাউকে শাস্তি দেওয়ার চেয়ে সচেতনতা তৈরিই ছিল প্রধান লক্ষ্য।
তিনি আরও জানান, ক্যারিয়ারের শুরুতেও একই ধরনের ছদ্মবেশী অভিযান পরিচালনা করেছিলেন তিনি। বর্তমানে তার এই উদ্যোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে প্রশংসিত হচ্ছে। বিশেষ করে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশের এ ধরনের বাস্তবধর্মী উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন সাধারণ মানুষ।



ফেসবুক কর্নার