May 14, 2026, 11:12 am
শিরোনাম :
শ্যামগঞ্জ বাজারে আমিনুল সরকারের বেকারিতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের ভয়াবহ চিত্র অতিরিক্ত সোডা ব্যবহার, নোংরা পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন—জনস্বাস্থ্যে মারাত্মক ঝুঁকির অভিযোগ ইপিজেডে রাস্তা দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে আতঙ্কে হকার-শ্রমিকরা গর্জনিয়ায় পুলিশের অভিযানে ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার ঝিকরগাছায় দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নৈশপ্রহরীর মৃত্যু যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যা: রাঙামাটিতে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কুড়িগ্রামে খাদে পড়ার উপক্রম স্কুলবাস, অল্পের জন্য রক্ষা পেল শিক্ষার্থীরা শিবচরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু অতিবর্ষণ ও জলাবদ্ধতায় স্থবির রৌমারী, ১৮৪ মিমি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন সরকারের উন্নয়ন বার্তা পৌঁছে দিতে গুইমারায় তথ্য অফিসের প্রেস ব্রিফিং ইবি থিয়েটারের নতুন নেতৃত্বে প্রণয় ও জ্যোতি

মিঠাপুকুরে আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে দাদন ব্যবসা ও হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

অভয়নগর প্রতিবেদক

রংপুরের মিঠাপুকুরে আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি, জেল-জুলুম ও অবৈধ দাদন ব্যবসার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগীরা।
মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে মিঠাপুকুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বালুয়া মাসিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেলিম চৌধুরীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে সেলিম চৌধুরী এলাকায় ভয়ভীতি ও প্রভাব বিস্তার করতেন। তিনি বালুয়া বাজার এলাকায় ‘মেসার্স চৌধুরী এন্টারপ্রাইজ’ ও ‘সাফল্য এন্টারপ্রাইজ’ নামে দুটি প্রতিষ্ঠান চালু করে সাধারণ মানুষের কাছে ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করতেন। অভিযোগ রয়েছে, ঋণ দেওয়ার সময় গ্রাহকদের কাছ থেকে ফাঁকা চেক ও স্বাক্ষর করা স্ট্যাম্প নেওয়া হতো এবং পরে অতিরিক্ত সুদ দাবি করে বিভিন্ন মামলায় জড়ানো হতো।
ভুক্তভোগী রাজু আহম্মেদ অভিযোগ করেন, তিনি দেড় লাখ টাকা ঋণ নিয়ে পরবর্তীতে মূল টাকাসহ প্রায় পুরো অর্থ পরিশোধ করেন। এরপরও তার নামে ১৭ লাখ ২০ হাজার টাকার মামলা করা হয়েছে।
আরেক ভুক্তভোগী মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ব্যবসায় ক্ষতির পর তিনি ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ঋণ নেন। আংশিক টাকা পরিশোধ করার পরও তার বিরুদ্ধে প্রায় ১০ লাখ টাকার মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা দাবি করেন, সেলিম চৌধুরীর বিরুদ্ধে করা অভিযোগ তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দায়ের হওয়া মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করা হোক।
তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সেলিম চৌধুরী বলেন, “আমি তাদের ব্যক্তিগতভাবে টাকা হাওলাত দিয়েছি।” একই সঙ্গে তিনি ঋণ কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টি স্বীকার করেন।
সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী, ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।



ফেসবুক কর্নার