July 5, 2026, 12:55 pm
শিরোনাম :
তিতাস নদী ভরাটের অভিযোগে এনসিপির সাবেক জেলা আহ্বায়ক, তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের সরকারি ব্যানার-ফেস্টুন ও বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আনিস আলমগীর, সোমা ইসলাম ও পিয়াসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় জিডি প্রয়োজনে আমরাও নোংরা ফুটবল খেলতে জানি: কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রপতি সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক চতুর্মাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ এবার ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলার পাশে লিওনেল মেসি কোথায় আছেন মোজতবা খামেনি? দেশের ৯ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত দেশীয় অস্ত্রসহ থানচিতে কেএনএফের সন্দেহভাজন সদস্য আটক, আদালতে প্রেরণ আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের অভিযোগে জাককানইবি শিক্ষকের সাময়িক বরখাস্ত

তিতাস নদী ভরাটের অভিযোগে এনসিপির সাবেক জেলা আহ্বায়ক, তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের

মো. নওশাদ ভূঁইয়া, ক্রাইম রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদী ভরাটের অভিযোগ উঠেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক জেলা আহ্বায়ক আজিজুর রহমান লিটনের বিরুদ্ধে। নিজের জমির দাবি করে দীর্ঘদিন ধরে নদীসংলগ্ন এলাকায় বালু ভরাটের কাজ চলছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা ও পরিবেশবাদীরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের উত্তরে মেড্ডা শ্মশানঘাটের পূর্ব পাশে, সদর উপজেলার সুহিলপুর ইউনিয়নের কাশিনগর গ্রামের উত্তরাংশে তিতাস নদীর তীরসংলগ্ন এলাকায় এক্সকাভেটর দিয়ে বাঁধ তৈরি করে মেঘনা নদী থেকে বাল্কহেডে বালু এনে ভরাট করা হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, গত কয়েকদিন ধরে নিয়মিত এ কার্যক্রম চলছে।

নদী ও জলাশয় সুরক্ষাবিষয়ক সামাজিক সংগঠন ‘ঢেউ’-এর আহ্বায়ক সোহেল আহাদ বলেন, প্রশাসনের নীরবতা ও উদাসীনতার কারণে তিতাস নদী দিন দিন সংকুচিত হয়ে পড়ছে। এখনই কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে নদীটি অস্তিত্ব সংকটে পড়তে পারে।

অভিযোগের বিষয়ে এনসিপির সাবেক জেলা আহ্বায়ক আজিজুর রহমান লিটন বলেন, “নদী ভরাট করা হচ্ছে না। এটি আমার নিজস্ব জমি। নদী থেকে প্রায় ২০ ফুট দূরে বালু ফেলা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এখানে শিল্পকারখানা স্থাপন করা হবে, যা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।”

তবে জমি ভরাট বা শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য প্রশাসনের অনুমতি নেওয়া হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এ বিষয়ে কোনো সরকারি দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়নি।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর মুঠোফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া ভৈরব-আশুগঞ্জ নৌ-বন্দর পরিবহন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা মো. নাদিম হোসেনের সঙ্গেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সিফাত মো. ইশতিয়াক ভূঁইয়া বলেন, “বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ বলেন, “নদী ভরাটের বিষয়টি আমার জানা ছিল না। খোঁজ নিয়ে দ্রুত কার্যক্রম বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”



ফেসবুক কর্নার