October 9, 2026, 7:01 pm
শিরোনাম :
সড়কের বেহাল দশায় ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মাহমুদা মিতুর কুমিল্লায় সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে হত্যা, ধানক্ষেতে ধস্তাধস্তির চিহ্ন ইজিবাইকে লিথিয়াম ব্যাটারির পরীক্ষামূলক প্রকল্প, সম্প্রসারণের পরিকল্পনা সরকারের- প্রতিমন্ত্রী।  ভাঙ্গায় বাসে পুলিশের অভিযান ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার যাত্রী স্থানীয়নির্বাচনে শরিয়াহর পক্ষের শক্তিকে নির্বাচিত করুন- পীর সাহেব চরমোনাই ঠাকুরগাঁওয়ে ৫০ বিজিবির অভিযানে দেশীয় পিস্তল ও গুলি উদ্ধার চট্টগ্রামে দেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাকের উদ্বোধন জীবনসঙ্গী হিসেবে ভালো বন্ধু ও ভ্রমণপ্রিয় পাত্র চান মিমি হুথিদের পতন ঘটিয়ে রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠাই লক্ষ্য ইয়েমেনের প্রাতিষ্ঠানিক সনদ নয়, কর্মক্ষেত্রে সাফল্যে দক্ষতা জরুরি: ববি হাজ্জাজ

ব্যবসায়ীকে নির্যাতন করে চেক-স্ট্যাম্পে স্বাক্ষরের অভিযোগে গ্রেপ্তার এক

অভয়নগর প্রতিবেদক

বরিশালে এক ব্যবসায়ীকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে জোরপূর্বক চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগে মোস্তাফিজুর রহমান লিটু নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে নগরীর সদর রোড এলাকার একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন উল ইসলাম। তিনি জানান, এ ঘটনায় বিস্তারিত জানাতে পুলিশ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করবে।
মামলার অভিযোগে জানা যায়, গত ২৭ জুন সন্ধ্যায় নগরীর সদর রোডে অবস্থিত অগ্রণী হাউজিং (আবাসন) লিমিটেডের কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আব্দুল আজিজ হাওলাদারের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, কয়েকজন ব্যক্তি তাকে মারধর করে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে একাধিক চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেন।
ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরে ভুক্তভোগী আদালতে নালিশি মামলা দায়ের করলে আদালত সেটি এফআইআর হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।
আব্দুল আজিজ হাওলাদার দাবি করেন, অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান লিটু একসময় অগ্রণী হাউজিংয়ের অংশীদার ছিলেন। বিনিয়োগের বিপরীতে তার পাওনা পরিশোধ করা হলেও পরবর্তীতে তিনি এক কোটি টাকা দাবি করেন। দাবি পূরণ না হওয়ায় কার্যালয়ে এসে জোরপূর্বক চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
অন্যদিকে, মোস্তাফিজুর রহমান লিটু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি ও অন্যরা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হিসেবে সেখানে গিয়েছিলেন। তার দাবি, প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে এবং এ বিষয়ে পরিচালকদের পক্ষ থেকে বিস্তারিত জানানো হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার তদন্ত চলছে। গ্রেপ্তারকৃতকে আদালতে সোপর্দ করা হবে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।



ফেসবুক কর্নার