October 9, 2026, 3:05 pm
শিরোনাম :
সড়কের বেহাল দশায় ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মাহমুদা মিতুর কুমিল্লায় সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে হত্যা, ধানক্ষেতে ধস্তাধস্তির চিহ্ন ইজিবাইকে লিথিয়াম ব্যাটারির পরীক্ষামূলক প্রকল্প, সম্প্রসারণের পরিকল্পনা সরকারের- প্রতিমন্ত্রী।  ভাঙ্গায় বাসে পুলিশের অভিযান ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার যাত্রী স্থানীয়নির্বাচনে শরিয়াহর পক্ষের শক্তিকে নির্বাচিত করুন- পীর সাহেব চরমোনাই ঠাকুরগাঁওয়ে ৫০ বিজিবির অভিযানে দেশীয় পিস্তল ও গুলি উদ্ধার চট্টগ্রামে দেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাকের উদ্বোধন জীবনসঙ্গী হিসেবে ভালো বন্ধু ও ভ্রমণপ্রিয় পাত্র চান মিমি হুথিদের পতন ঘটিয়ে রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠাই লক্ষ্য ইয়েমেনের প্রাতিষ্ঠানিক সনদ নয়, কর্মক্ষেত্রে সাফল্যে দক্ষতা জরুরি: ববি হাজ্জাজ

ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে তহশিলদারের ভিডিও ভাইরাল, তদন্তে প্রশাসন

সানাউল্লাহ সুমন

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার জামবাড়িয়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহশিলদার) মফিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে ভূমিসংক্রান্ত বিভিন্ন সেবার নামে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকে কেন্দ্র করে অর্থ গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, নামজারি (খারিজ), খাজনা আদায়সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক সেবা প্রদান করতে গিয়ে সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, ইউনিয়ন ভূমি অফিসের একটি কক্ষে বসে এক সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে টাকা গ্রহণ করে তা গুনে নিজের পকেটে রাখছেন অভিযুক্ত তহশিলদার মফিজুল ইসলাম।
ভূমি অফিসে কাজের সঙ্গে জড়িত বলে পরিচয় দেওয়া এক ব্যক্তি দাবি করেন, কাগজপত্র ঠিক থাকলে খারিজের জন্য ৬ হাজার টাকা নেওয়া হয়। এছাড়া বিভিন্ন সেবার ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত অর্থও নেওয়া হয়ে থাকে।
জামবাড়িয়া ইউনিয়নের সেবাগ্রহীতা মো. আলিমুদ্দীন অভিযোগ করে বলেন, একটি দলিলের জন্য তার কাছে ৬ হাজার টাকা এবং দুটি দলিলের জন্য ৯ হাজার টাকা দাবি করা হয়। কাজের প্রয়োজনেই তিনি ওই অর্থ দিতে বাধ্য হয়েছেন বলে দাবি করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরও কয়েকজন সেবাগ্রহীতা অভিযোগ করেন, ইউনিয়ন ভূমি অফিসে টাকা ছাড়া কোনো কাজ হয় না। নির্ধারিত সরকারি ফি ছাড়াও অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয় বলে তারা অভিযোগ করেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহশিলদার) মফিজুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে কথা বলতে।
ভোলাহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদ হোসেন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। বিষয়টি প্রাথমিকভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য নিয়ে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



ফেসবুক কর্নার