October 9, 2026, 10:58 am
শিরোনাম :
জীবনসঙ্গী হিসেবে ভালো বন্ধু ও ভ্রমণপ্রিয় পাত্র চান মিমি হুথিদের পতন ঘটিয়ে রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠাই লক্ষ্য ইয়েমেনের প্রাতিষ্ঠানিক সনদ নয়, কর্মক্ষেত্রে সাফল্যে দক্ষতা জরুরি: ববি হাজ্জাজ রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৮০ কানাডিয়ান পুলিশের পোশাকে জায়েদ খান, সামনে এল আসল রহস্য চীনের আপত্তি উপেক্ষা করে তাইপের আকাশে বিশাল পতাকা চুরি হওয়া ম্যাকবুক-ক্যামেরা না পেয়ে ঢাকায় ফিরলেন জার্মান পর্যটক ৪৬ বছর বয়সে ইতালির ক্লাব রাভেন্নায় ফিরছেন রোনালদিনহো আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে নামছে বাংলাদেশ শান্তিতে নোবেল নিয়ে সংশয়, আক্ষেপ ট্রাম্পের

পরিবার নিয়ে ভ্রমণের আড়ালে ১৮ হাজার ইয়াবা,রকিব ফের গ্রেপ্তার

কে এম জাকিরুল ইসলাম রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার চর নতুন বন্দর গ্রামের আনোয়ার আর্মির ছেলে রকিব হাসানকে ১৮ হাজার ৪২০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করেছে ময়মনসিংহ জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। অভিযোগ রয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সন্দেহ এড়াতে তিনি এবার স্ত্রী ও সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে বাসে ভ্রমণের আড়ালে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা করছিলেন।

ডিএনসি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রৌমারী থেকে ঢাকাগামী ‘পলি পরিবহন’ বাসে অভিযান চালিয়ে রকিবকে আটক করা হয়। তল্লাশির সময় তার কাছ থেকে ১৮ হাজার ৪২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার স্ত্রী ও সন্তানও সঙ্গে ছিলেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পরিবারকে সঙ্গে রেখে সন্দেহ এড়ানোর কৌশল হিসেবে তিনি এ পদ্ধতি অবলম্বন করেছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রকিবের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। এর আগে রৌমারী থানার তৎকালীন ওসি রূপ কুমার বিশ্বাসের নেতৃত্বে অভিযানে তার বাড়ি থেকে ২২ হাজার ৬ পিস ইয়াবাসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গত বছরের ৩০ জুন তৎকালীন ওসি লুৎফর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত আরেক অভিযানে ২২ হাজার ১০০ পিস ইয়াবাসহ পুনরায় গ্রেপ্তার হন তিনি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, আগের মামলাগুলোতে জামিনে মুক্ত হওয়ার পর তিনি আবারও মাদক কারবারে জড়িয়ে পড়েন। সর্বশেষ গ্রেপ্তারের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নতুন মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং মাদক পাচার চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।



ফেসবুক কর্নার